Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য মাত্র ৩৫ বছরেই কেন শেষ

যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য মাত্র ৩৫ বছরেই কেন শেষ য ক তর ষ ট র র - বিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্র সর্বজয়ী ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশটি শুধু

Desk Uncategorized
Published June 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য মাত্র ৩৫ বছরেই কেন শেষ

য ক তর ষ ট র র – বিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্র সর্বজয়ী ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশটি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বীহীন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিল না, বরং সাংবিধানিক সরকার ও মুক্তির গ্রহণযোগ্য মূল্যবোধ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু এই শক্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

১৯ শতকের প্রভাব নিয়ে আলোচনা

১৯ শতকের মধ্যভাগে ইউরোপীয় শক্তিগুলো বিশাল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অধিকারী হয়ে ছিল। বিশাল সাম্রাজ্যবাদী জার্মানির উত্থান সেই সময়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। ইউরোপে শাসন করতে সক্ষম হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করে এবং তখন এটি ইউরোপের প্রভু হয়ে ওঠে।

১৯২০ শতাব্দীর মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব কারণে মহামন্দা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ধাবিত হয়। এই সময় আবির্ভূত হয় সোভিয়েত কমিউনিজম, যা প্রতিযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর মধ্যে বিরোধ সূচিত করে। ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়, কিন্তু ইতিহাস হেসে ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্রের এই জয়জয়কার।

ইরান যুদ্ধ যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের চেয়ে মিত্রদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বেশি।

১৯৮০-এর দশকের নয়া উদারতাবাদের বিপ্লবের পরও ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা অনেকটা নিয়ন্ত্রিত রয়ে যায়। কিন্তু সেই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার সাম্রাজ্য ধসে পড়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্র আবার একটি সমকক্ষীয় প্রতিযোগী দেখা দেয়। চীন রাশিয়ার সঙ্গে সখ্য সীমিত করে ফেলেছিল আগেই থেকে চীন রাশিয়ার সঙ্গে সখ্য সীমিত করে ফেলে।

১৯ শতকের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে যায়। তখন সেই পরিবর্তন রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে সৃষ্ট হয়েছিল। আবার এই যাত্রাতে স্বাধীনতার ঘোষণায় জুলুমকারী ও নির্যাতকদের থেকে মুক্তি ঘোষণা করা হয়।

২০ শতকের বিশ্বায়ন ও বর্তমান সংকট

আজকে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জন্মদিনের প্রাক্কালে দেশটি নিজে তো বটেই, এমনকি যে বৈশ্বিক ব্যবস্থা সে দাঁড় করিয়েছিল, তা সংকটে নিপতিত হয়েছে। প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্ত ও অদক্ষ হয়ে গেছে, সবচেয়ে বড় কথা হলো যে মূল্যবোধ ও নিয়ম যাদের পিতাদের উজ্জীবিত ও চালিত করেছিল, তাদের প্রতি এই প্রশাসন বিরূপ হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদেরই একজন হতে চান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার শক্তিগুলোকে কর্তন করছেন। আইনের শাসন, বিশ্বসেরা বিজ্ঞান, আস্থাবান মিত্রকুল এবং �

Leave a Comment