রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি ৪ বাংলাদেশি তরুণ: করুণ আকুতি নিয়ে অস্থিরতা
বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে
র শ য় য় ম ত য – রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি হয়েছেন চার বাংলাদেশি তরুণ, যাদের ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য দালাল চক্রের হাতে ধৃত করা হয়েছিল। এ ঘটনার পর এদের দেশে ফেরার আকুতি চালু করা হয়েছে, যেখানে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আকুতি ভুক্তভোগীদের ড্রোন হামলার মাধ্যমে বাঁচানো হয়েছে, কিন্তু তাদের সম্পর্কে নতুন তথ্য খুঁজে পেতে আরও অনেক কাজ করা হয়েছে।
স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদানের পরিপ্রেক্ষিতে
রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি হয়েছেন বাংলাদেশি তরুণরা, যাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদানের পর স্বাচ্ছন্দ্য করুণ কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুসারে, তাদের দেশে ফেরার চেষ্টার পর এদের আকুতি ভুক্তভোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হওয়া আকুতি ভুক্তভোগীদের পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি যুবক ড্রোন হামলার আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন।
রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি হওয়া আকুতি ভুক্তভোগীদের নিয়োগের প্রক্রিয়া কী ছিল? বাংলাদেশি তরুণদের এ সংগ্রামে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল দালাল চক্রের সহায়তায়। এদের বেশিরভাগই ছোট বয়সে বিদেশে চাকরি করার কথা শুনে অস্বীকার করেন নি। বাংলাদেশের কিছু স্থানীয় কর্মী বলেন, এ আকুতি ভুক্তভোগীদের দেশে ফেরার সম্ভাবনা ছিল না এবং যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো হয়েছিল।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ
রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি হওয়া বাংলাদেশি তরুণদের বাড়ি ফেরত পেতে এখন এদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। বাংলাদেশের কিছু আত্মীয় সংগ্রামী বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে এদের নিয়োগের পর আমাদের কিছু চাকরি পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কয়েকটি সংখ্যক আকুতি ভুক্তভোগীর হাজিরা নেওয়া হয়েছে।
রাশিয়ায় মৃত্যুফাঁদে বিক্রি হওয়া আকুতি ভুক্তভোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবেদন অনুসারে, এর প্রাথমিক স্তরে এ আকুত
