হেনিয়ো: জেজু দ্বীপে অপরূপ নারী ডুবুরি
এই ন র ড ব র র – দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত জেজু দ্বীপে নারী ডুবুরিরা কৃত্রিম অক্সিজেন ব্যবহার ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা সমুদ্রে থাকতে সক্ষম। তারা শামুক ও ঝিনুক সহ বিভিন্ন সামুদ্রিক সম্পদ সংগ্রহ করেন বিশেষ ধরনের পদ্ধতিতে। কনফারেন্স শেষে জেজু দ্বীপে যাওয়ার জন্য বসলে বিমানে পাশে বসা চিকিৎসক নুসরাত আমাকে আশ্চর্য করে দেয় যে কোন ড্রামা সিরিজ দেখেনি।
জাতীয় অনন্যতা এবং আধুনিক পরিবর্তন
এই কৌশল বিজ্ঞানীদের জন্য এখনও এক অসাধারণ আশ্চর্য। এগুলো জেজু দ্বীপে বিশেষ ধরনের সামুদ্রিক জাল এবং ডাইভিং মাস্কের সাহায্যে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে এই ডুবুরি প্রায় ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত জলে থাকতে পারেন। সমুদ্রের তলদেশে শ্বাস আটকে চলে যাওয়ার জন্য তাঁরা শুধুমাত্র কমপক্ষে ২০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারেন।
অতীত থেকে আধুনিক পরিবর্তন
২০১৬ সালে ইউনেস্কো এই পেশাকে আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ হিসেবে মর্যাদা দান করে। কিছু দিন আগে আমরা সিওনসাং ইলচুলবংয়ে যাওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। জায়গাটি পাহাড় ও সমুদ্রে ঘেরা। সেখানে ডুব দিয়ে আগাছা আহরণ করতে দেখেছিলাম হেনিয়োদের।
“হোয়্যার ইজ ইয়োর ট্রাইবাল মেমোরি? স্যারস, ইন দ্যাট গ্রে ভল্ট দ্য সি/দ্য সি হ্যাজ লকড দেম আপ দ্য সি ইজ হিস্টোরি।”
শিক্ষার প্রক্রিয়া এবং সংস্কৃতির পরিচয়
প্রাচীন যুগে এই পেশার সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান ছিল আমার। অ্যানার বলেছিল, “উইন্ড, উইমেন অ্যান্ড রক—এই তিনটি আমাদের ল্যান্ডমার্ক।” তিনি আরও বলেছিলেন যে হেনিয়োদের দ্বারা শক্তি ও প্রকৃতির প্রতিনিধিত্ব হয়। গত কয়েক দশকে ট্যানজারিন চাষ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের কারণে পেশা ও সমাজে পরিবর্তন ঘটেছে। এই অতীতের প্রাচীন পদ্ধতিকে আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা ছাড়া আজও সংস্কৃতি বহন করে চলেছে।
বয়স ও প্রশিক্ষণ
এই পেশার সাথে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে জেজু ও মারা দ্বীপের মাতৃতান্ত্রিক সমাজের মধ্যে। অতীতে নারীরা বিবাহের সময় যৌতুক দিতেন এবং কন্যাশিশু জন্মের উৎসব সংগঠন করতেন। তারা দীর্ঘ সাত বছর প্রশিক্ষণের পর কাজ শুরু করতেন। বর্তমানে এই ক্ষমতা অর্জনের জন্য তাঁদের বয়স ৬০ বছরের ওপর হয়ে উঠেছে।
নুসরাত আমাকে বলেছিল, “অবশ্যই দেখবেন হেনিয়োদের।” আমি মনে করেছিলাম যে সমুদ্রে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব হয় এবং বর্তমানে তাঁদের পেশাকে প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে
