Uncategorized

যশোরে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করুন

যশোরে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করুন: একটি বিপর্যস্ত প্রকল্প কেন আটকে রয়ে গেলো যশ র জনগণ র ভ গ ন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিপর্যস্ত প্রকল্প এবং অপরাজয় প্রকল্প কেন

Desk Uncategorized
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যশোরে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করুন: একটি বিপর্যস্ত প্রকল্প কেন আটকে রয়ে গেলো

যশ র জনগণ র ভ গ ন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিপর্যস্ত প্রকল্প এবং অপরাজয় প্রকল্প কেন আটকে রয়ে গেলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যশোরের মনিরামপুর উপজেলার নেহালপুর-হাজিরহাট বাজারের সংকট বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যবহার ও প্রক্রিয়ার গোঁড়ামির প্রতিফলন করে। এই সেতু পুনর্নির্মাণ উদ্যোগ ছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও বন্যার পর জলাবদ্ধ এলাকা পুনর্বাসনের জন্য। প্রকল্পের দাবি ছিল সেতুটি ২০২৪ সালের ১ মে নির্মাণ শুরু করে এবং ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত পূর্ণ হবে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি মতো কাজ শেষ হয়নি, দুই বছর পর এখনও কাজ অর্ধেক হয়েছে।

সংকটের মূল কারণ

যশ র জনগণ র ভ গ সংকটের মূল কারণ হল প্রকল্প নির্মাণের অপর্যাপ্ত পরিকল্পনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর অক্ষমতা। সেতুটি পুনর্নির্মাণের কাজ খাল বালু দিয়ে পূর্ণ করা হয়েছে যা নিরাপদ ও টেকনোলজিকেল দৃষ্টিকোণ থেকে উপযোগী নয়। দুটি কংক্রিট পিলার খালটির পাশে স্থাপন করা হয়েছে যার মধ্যে পুরোনো সেতু অবস্থিত। অবশ্য সেতুটির বেশির ভাগ ভাঙা হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে সেতু অনুপস্থিতি অঞ্চলের মানুষের প্রাণিক ও অর্থনৈতিক স্থিতি নষ্ট করছে। কাঠের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এক কিছু দিনের জন্য যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পূরণের দরকার

বর্ষা মৌসুমে কাঠের সেতু পানিতে ডুবে থাকার কারণে মানুষের দৈনিক কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় সমস্যার কথা বলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি সমস্যা ও জলাবদ্ধতা বলে অজুহাত দিয়েছে। কিন্তু তা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার সত্যিকারো নির্মম দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করছে। প্রকল্প গ্রহণের সময় প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতাকে বিবেচনা করা উচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে যশ র জনগণ র ভ গ সংকটে সামিল হয়েছে কিছুটা অক্ষম প্রকল্প। সরেজমিন প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সঠিকভাবে সাজানো হয়নি।

যশ র জনগণ র ভ গ প্রকল্পের ফলে স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে অপরাজয় সেতু অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান অবস্থায় সেতুটি আটকে রয়েছে প্রকল্প চালানোর ব্যবস্থা ও বাস্তবায়নের অক্ষমতা কারণে। কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা চাই সেতুটি পূর্ণ হওয়ার পর অনুপস্থিতি দূর করা হোক নিরাপদ ও উপযোগী করে।

যশ র �

Leave a Comment