ভেনেজুয়েলার ধ্বংসস্তূপে এখনো জীবনের সন্ধান
ভ ন জ য় ল র ধ – ভেনেজুয়েলার সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পের কয়েক দিন পর স্থানীয় অঞ্চলে আরও এক আশা জাগাচ্ছে। গত রোববার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ঘোষণা করেন যে আগের দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনার পর সপ্তাহান্তে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে কমপক্ষে ৩৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুটি ছেলেশিশু রয়েছে। ধসে পড়া দুটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েক ঘণ্টা পর তাদের জীবিত অবস্থায় বের করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের আশা ক্রমে ক্ষীণ হচ্ছে
তালিকা প্রকাশের পর এখনো কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ। ত্রাণ সংস্থাগুলো জানায় যে মহামারি হতে পারে ভূমিকম্প ঘটার ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধারের সম্ভাবনা সবচেয়ে উচ্চ। তবে সময় যত অগ্রসর হচ্ছে, বের করা জীবিত কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশা ক্রমাগত কমে আসছে।
“আটকে থাকা কারও কাছে পানি ও খাবার মতো কিছু থাকলে এখনো অনেককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব,” বলেছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা।
৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ধাক্কা
গত বুধবার দেশটির এলাকায় মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে। এতে প্রায় ৮০০ ভবন ধসে পড়ে এবং অসংখ্য মানুষ ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবর দেয় যে উদ্ধার অভিযানের সময় এক উদ্ধারকর্মী শিশুটিকে তার বোন ও মায়ের কাছাকাছি দেখেছেন।
“আমাদের হাতে পর্যাপ্ত লোক নেই। খুব সম্ভবত এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন,” জানান কারাবালেদায় কর্মরত এক অগ্নিনির্বাপণকর্মী।
ভূমিকম্পের এক পরাঘাতে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছে। কারাবালেদার গলফ মাঠ এখন জরুরি ত্রাণ তৎপরতার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে। পূর্বে সবুজ মাঠ হয়েছে এখন অস্থায়ী হাসপাতাল। এখানে হারানো মানুষ কাপড় ও সামগ্রী খুঁজছেন।
কর্মকর্তারা আরও বলেন
ভূমিকম্পের পরাঘাত চলছে। প্রতিটি প্রাণ ভেনেজুয়েলার জন্য আশার প্রতীক হয়েছে। এখন ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষ আটকা আছে। ভারী যন্ত্র দরকার। সরকারের ধীর ও অদক্ষ পদক্ষেপ আরও ক্ষোভ জাগাচ্ছে। কারাবালেদার মুখ্য অঞ্চলে এখনো ধ্বংসস্তূপ অপসারণ শুরু হয়নি।
“সরকার সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সহায়তা পৌঁছানো
