Uncategorized

টাইম মেশিনে গোকর্ণঘাট থেকে গোঁসাইপুর

টাইম মেশিনের কেরামতি ট ইম ম শ ন গ কর - ছোট বাচ্চাটি প্রশ্ন করেছিল, ‘আব্বা, টাইম মেশিনে ডাইনোসরদের সময় যাওয়া যাবে কি?’ তার আগ্রহ ছিল সর্বাধিক প্রতিকূল হালে।

Desk Uncategorized
Published June 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

টাইম মেশিনের কেরামতি

ট ইম ম শ ন গ কর – ছোট বাচ্চাটি প্রশ্ন করেছিল, ‘আব্বা, টাইম মেশিনে ডাইনোসরদের সময় যাওয়া যাবে কি?’ তার আগ্রহ ছিল সর্বাধিক প্রতিকূল হালে। যন্ত্রপাতি বা বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অনুরোধ করে ছোট শিশুটি প্রায় একটি বন্ধু থেকে টাইম মেশিনের কাহিনী শুনেছিল। আমি তাকে বললাম, ‘এখনো কোনো মানুষ এ রকম কিছু তৈরি করতে পারেনি, সবকিছু কল্পনার মধ্যে আটকে আছে।’

পৈরতলা রেলক্রসিংয়ে বেবিট্যাক্সির দরজা দিয়ে ট্রেনটি ক্রস করতে দেখেছিলাম। বেবিট্যাক্সিতে গ্রামে আমাদের বাড়ি পৌঁছতে প্রায় ৩–৪ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জালশুকায় পৌঁছতে ৮ কিলোমিটার দূরত্ব ছিল, তাই সাধারণত কয়েক ঘণ্টা বেড়াতে হত।

নদীর সামনে লঞ্চ

গোকর্ণঘাটে এসে আমি বাঁ দিকে তাকিয়েছিলাম তিতাস নদীটির উপর অবস্থিত ব্রিজ। সেটি আমিনপুর থেকে রসুলপুর পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। বেবিওয়ালাকে গোকর্ণঘাটে যেতে বললে ওঁ আপত্তি জানাল, ‘এখন লঞ্চোর দরখাস্ত নেই, ব্যাটারি গাড়িতে নবীনগরের সিতারামপুর পর্যন্ত যেতে পারে আমরা।’

ঝুঁকে তাকালে নদীর বেঁকে যাওয়া অংশটুকুতে ইটের ভাটা দেখা যায়। সামনে সিতারামপুরের দিকে কয়েকটি বেড়ার ঘর দেখতে পেয়েছিলাম। কচুরিপানা বাঁশে রেখে প্রটেকশন দিয়েছে নদীর ঢেউয়ের ভাঙন থেকে। রফিক ভাই বলেছিলেন, এটি একটি ব্যবস্থা বা সংরক্ষণের পরিকল্পনা।

জালশুকার পরিস্থিতি

জালশুকার সামনে নদীতীরে কয়েকটি উল্টানো নৌকা দেখেছিলাম। বর্ষাকালে এখানে ঘূর্ণিতে পড়ে আমাদের নৌকার অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তবে আস্তে আস্তে নদীর পাশে টিলা মতো একটি উঁচু অংশ দেখেছিলাম, যেখানে অনেক ঝোপঝাড় আর ইটের পাঁজা রয়েছে। অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা বলেছিলেন সাপের স্বর্গরাজত্ব নামক একটি নাম সেখানকে বরণ করেছে।

দরজা দিয়ে মাথা বের করে ডেকে মুরব্বিকে দেখেছিলাম না। ওনার জন্য আজকের জার্নিটাই মাটি। লঞ্চের গতি স্লো হয়ে আসছে এবং আমি ভৈরবনগর ঘাটে পৌঁছবার আশায় জানতে পেয়েছিলাম। বাঁ দিকে পাড়টি উঁচু ছিল কিন্তু কোনো জেটি নেই।

‘ছেলেধরায় ছেয়ে গেছে দেশ। অপরিচিত লোকজনের সঙ্গে আলাপ করলে বস্তায় ভরে চালান করে দিবে।’

আমাদের আস্তে আস্তে গোঁসাইপুর ঘাটে চলে আসছে লঞ্চটি। কাঠের পাটাতন দিয়ে আমরা কেবিনে উঠেছিলাম রফিক ভাই আমাদের সম্মুখে আম্মার সতর্কবাণী শুনেছিলাম স্থান ত্যাগ করতে। ইমন উসখুস করছিল, তাকে শান্ত করতে আম্মা বাদাম কিনে দিয়েছিলেন। কেবিনের জানালা দিয়ে দেখতে পেয়েছিলাম কালিসীমা স্কুলের দালান আর মাঠ।

লঞ্চের সাইরেনের শব্দে দূরে এক বাবা সিলভারের পাতিল একটি মেয়েকে নিয়ে দৌড়ে আসছেন। মেয়েটি ইশারা করে দা�

Leave a Comment