গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না: মাহফুজ আনাম
গণতন ত রক শক ত শ ল – লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, দেশের অগ্রগতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে চাই, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা থেকে বিচ্যুত হওয়া সম্ভব নয়। সভাটি প্রবাসী বাংলাদেশি পাঠকদের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে দ্য ডেইলি স্টারের ইতিহাসের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এতে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য পত্রিকার অঙ্গীকার এবং তার বিকাশের প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়।
ডিজিটাল রূপান্তর ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা
মাহফুজ আনাম বলেন, দ্য ডেইলি স্টার এখন ডিজিটাল সংস্করণে আরও গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তিনি এ প্রসঙ্গে দৃঢ়ভাবে বলেন, পাঠকদের প্রত্যাশা ও মতামত পত্রিকার ভবিষ্যতের সম্পাদকীয় পরিকল্পনায় সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা বজায় রাখতে বাণিজ্যিক স্বার্থ কোনো সময়ই প্রভাবিত করতে পারে না।
“যারা বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে পত্রিকাকে অভিযুক্ত করেন, তাঁরা কখনো কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। কেউ এ অভিযোগ করলে তাঁকে বলুন তথ্য-প্রমাণ সহ তা উপস্থাপন করতে।”
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিজ্ঞাপনদাতার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। মাহফুজ আনাম বলেন, যদি অভিযোগের প্রমাণ থাকে এবং জনস্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করা আবশ্যক। সাংবাদিকতার ভেতরে দুর্নীতি থাকলে তার শাস্তি হওয়া উচিত, কিন্তু আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতি নির্ভর করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অঙ্গীকারের ওপর। এছাড়া সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে এবং দেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ন্যায়সংগত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে এখন তাঁদের সংলাপ ধারাবাহিকভাবে চালু হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রামাণ্যচিত্রে দ্য ডেইলি স্টারের ৩৫ বছরের পথচলা তুলে ধরা হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং তার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তার শক্তিশালী করতে চাইছে মাহফুজ আনাম। প্রামাণ্যচিত্রে পত্রিকার কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও উঠে আসে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষক, গ্রামীণ নারী ও শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। তাঁদের কণ্ঠস
