টাঙ্গাইলে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার, শরীরে ক্ষতচিহ্ন ছিল
ট ঙ গ ইল ন খ জ – টাঙ্গাইল নিখোঁজ জ – সখীপুর উপজেলার পৌরসভার এক ব্যক্তির মেয়ে শিশুটি গত শনিবার বিকেল চারটার পর থেকে নিখোঁজ ছিল। তার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা সারাদিন ঘটনাস্থলে খোঁজ খুতে ব্যস্ত ছিলেন। ৪০ ঘণ্টা পরে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুরে তার মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়াশোনা করছিল এবং তার পরিবারের অনুমান মতো ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। শিশুটির শরীরে গুরুতর ক্ষতচিহ্ন প্রাপ্ত হয়েছিল এবং মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে গেছে। এই ঘটনায় আরও সামাজিক সংবেদনশীলতা জাগিয়েছে।
নিখোঁজ শিশুটির খোঁজ খুঁজে বার করা হয়েছিল
পৌরসভার বাসিন্দা এবং স্থানীয় সম্প্রদায় নিখোঁজ শিশুটির খোঁজ খুঁজে বার করার জন্য একত্রিত হয়েছিল। সকাল আটটার দিকে পুকুরে শিশুর লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখা গেল। শিশুটির নিখোঁজ ঘটনার পর থেকে টাঙ্গাইল নিখোঁজ এবং সখীপুর উপজেলা পরিষদের আশেপাশে সক্রিয় তদন্ত চালানো হয়েছিল। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং এটি টাঙ্গাইল নিখোঁজ ঘটনার একটি প্রধান ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। উদ্ধারস্থলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের ফটক থেকে প্রায় ২০ গজ পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত। পুলিশ সদস্যরা নিখোঁজ শিশুটির খোঁজে সরাসরি তদন্ত চালিয়েছেন।
টাঙ্গাইল নিখোঁজ ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক বিশ্লেষকরা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। শিশুটির শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতচিহ্ন ছিল এবং পুলিশ সদস্যরা সেগুলি দেখে সংশয় প্রকাশ করেছেন। লাশ উদ্ধারের পর এটি টাঙ্গাইল নিখোঁজ ঘটনার কারণ খুঁজে বার করার জন্য ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুটির মৃত্যুর কারণ নিখোঁজ ঘটনার পরিবেশে একটি গুরুতর ঘটনা হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।
বাবার শোকে মুখ স্পর্শ করেছেন
নিখোঁজ শ
