স্পেন সৌদি আরবের বিপক্ষে বিশ্বকাপের দাবিদার করে তুলেছে
স দ র জ ল ৪ গ – গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্পেন কেপ ভার্দে সামনে দুর্বল সৌদি আরবের বিপক্ষে ৪-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল। এই সাফল্য বিশ্বকাপে তাদের আকাশ ছাঁটার দৃষ্টান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।
ম্যাচের শুরুতে সৌদি আরব রক্ষণাত্মক ভাবে খেলেছিল। তাদের ব্যবহৃত ৫-৪-১ ফরমেশন ছিল এমন আক্রমণের সামনে প্রতিক্রিয়াশীল হতে পারেনি। কিন্তু স্প্যানিশ মাঝমাঠের আক্রমণে প্রায় বিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।
১০ মিনিটের মধ্যে স্পেন তাদের প্রথম গোল করেছে মিকেল ওইয়ারসাবাল। তিনি বাঁ প্রান্ত ধরে বিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ক্রস দিয়ে বল জালে জড়ান। তার মাঝে বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল করেন লামিনে ইয়ামাল, যিনি বাজপাখির মতো ছুঁইয়ে এক গোল সাজিয়েছেন।
২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দানি ওলমো। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল তাঁর ফ্লিকে চলে যায় ছয় গজ বক্সে। তখন এমেরিক লাপোর্ত সৌদি ডিফেন্ডারদের সামনে একটি আক্রমণ ঘটান। ওইয়ারসাবাল সেই ফাঁকে নিখুঁত শটে গোল করেন।
৩৬ মিনিটে ওইয়ারসাবাল আবার একটি গোল করেন। যদি তাঁর বাঁ পায়ের বাঁকানো শট ক্রসবারে লেগে না ফিরে থাকত, হ্যাটট্রিকের প্রস্তাব দিত। এশিয়ার ফুটবলের প্রতিযোগিতার বিজ্ঞাপন হয়ে উঠছে জাপান।
মাঝমাঠে রদ্রি ফিরে পেয়েছেন তাঁর চেনা ছন্দ। খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং রক্ষণের পাস দেওয়ার দায়িত্ব তিনি পূর্ণ করেছেন। ফুটবল যদি কবিতা হয়, তবে রদ্রি ছিলেন তার ছন্দ নিয়ামক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে সেরা দুই ফরোয়ার্ডকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। ওইয়ারসাবাল ও ইয়ামালের স্থলে ফেরান তোরেস ও ইয়েরেমি পিনোকে মাঠে নামানো হয়।
৪৯ মিনিটে সৌদি আরবের দুর্ভাগ্য হিসেবে চতুর্থ গোল আসে। আলেক্স বায়েনার কর্নার থেকে কুকুরেয়া ভলি করেন। মোহাম্মদ আল-ওয়াইস একটি সেভ করলেও বল ডিফেন্ডার হাসান আল-তাম্বাকতির গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।
কোনো খেলাই সহজ নয়, আর্জেন্টিনা সহজ বানিয়ে ছেড়েছে
পুরো ম্যাচে সৌদি আরব নিজেদের প্রথম অন-টার্গেট শট নিতে পেরেছে ৮০ মিনিটের পর। স্পেন প্রায় সম্পূর্ণ বিপক্ষের ছন্দে চাপ আরোপ করে এবং বলের দখল করে রেখেছে।
