নতুন ধারার নাট্যনির্দেশক ছিলেন আতাউর রহমান
নত ন ধ র র ন ট – বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মঞ্চে স্থান পেয়েছিলেন আতাউর রহমান, যাঁদের প্রতিভা থিয়েটারের ইতিহাসে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত। তিনি অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন, তবে নির্দেশনার ক্ষেত্রে সর্বাধিক প্রতিভার দিকে তাঁর মন ছিল। আতাউর রহমান তাঁর কাজে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন, যার ফলে মঞ্চসারথি হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার আতাউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন উদ্যাপনের জন্য মিলনায়তনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হয়েছিল। এতে ছিল সংগীত পরিবেশনা, সেমিনার এবং তাঁর নির্দেশিত নাটকের অংশ। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আতাউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্য নির্দেশনার ক্ষেত্রে নতুন ধারার প্রবর্তক বলে বিবেচিত। যার সামনে দর্শকদের অভিভূত বিস্ময়ে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া অন্য পথ থাকে না।
আতাউর রহমানের জন্ম ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে। সেমিনারে তাঁকে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ স্থান দেওয়া হয়। তাঁর নাটকে অবদানের জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার অর্জন করেছেন। সম্প্রতি আতাউর রহমান চলে যান না ফেরার দেশে।
শামীম কবীরের কবিতার আগমন ঘটেছে অনুষ্ঠানে
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্র মিলনায়তনে কবি শামীম কবীরের কবিতায় আগ্রহ জাগানোর জন্য একটি প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছিল কবিতা আলোচনা এবং স্মৃতিচারণা। অনুষ্ঠানে ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
শামীম কবীর বাংলাদেশের কবিতায় এক উজ্জ্বল নাম। অকালমৃত্যু তাঁর পূর্ণ প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেয়নি; কিন্তু মৃত্যুর পর প্রকাশিত তাঁর রচনাসমগ্রে এক প্রতিভাদীপ্ত সৃজনশীল সত্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
পুণ্ড্র প্রকাশন নব্বই দশকের এই কবিকে নিয়ে ‘শামীম কবীর: স্মরণ ও পাঠ’ নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। গ্রন্থটি নভেরা হোসেন সম্পাদনা করেছেন। অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন কুমার চক্রবর্তী, চঞ্চল আশরাফ, শোয়েব শাহরিয়ার, পিয়াস মজিদ এবং আফরোজা সোমা। কবির অনুজ লতিফুল বারী পরিবারের পক্ষ থেকে স্মৃতিচারণা করেন।
