পাউবো দ্বারা উন্নয়নের নামে পরিবেশবিরোধী কাজ
উন নয়ন র ন ম প উব – পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাবনাবাদ এলাকায় উন্নয়নের নামে পাউবোর দ্বারা সামাজিক বনায়নে সাত শতাধিক গাছ উপড়ে ফেলার ঘটনাটি কোনোভাবেই স্বীকারযোগ্য নয়। উপকূলীয় জানমাল রক্ষার জন্য পাউবো যে প্রকল্প করেছে, তার প্রতি পরিবেশবিরোধী পদক্ষেপের মাধ্যমে এ কাণ্ড একটি অগ্রহণযোগ্য বিপদ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। উন্নয়নের দিক রক্ষার জন্য পরিবেশের সুরক্ষা ও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক স্বার্থ বিপর্যস্ত করার বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। বর্ষা মৌসুমের আগে এই বনায়ন মেরামতের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকৃত করা যায় না, কিন্তু পাউবো দ্বারা খননযন্ত্র দিয়ে গাছগুলো উপড়ে ফেলার কারণটি কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। বন বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছগুলো কাটার জন্য দরপত্র ডাকার প্রস্তুতি চলছিল এবং তাঁদের পাউবোর কাছে কিছু সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু পাউবো সেই সময়টুকু দিয়ে না পেয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শুরু করেছিল। ফলে কয়েক শ উপকারভোগী মানুষ তাঁদের কষ্টার্জিত বনায়ন হারিয়েছেন।
বনায়ন ও উন্নয়নের স্ববিরোধী সিদ্ধান্ত
রাবনাবাদ এলাকায় খননযন্ত্র দিয়ে গাছগুলো নষ্ট করার কারণটি স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে যে উন্নয়নের নামে পরিবেশের ক্ষতি সহন করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় গাছ কেবল কাঠের উৎস নয়, এটি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক দেয়াল হিসেবে কাজ করে। বাঁধের সুরক্ষার জন্য বনায়ন অপরিহার্য ছিল, কিন্তু সেই বাঁধ বাঁচাতে গিয়ে পরিবেশের বিপর্যস্ত হওয়া অপরিহার্য করে ফেলেছে। উন্নয়নের নামে পরিবেশবিরোধী কাজ নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই।
পাউবো এবং বন বিভাগের মধ্যে দুর্বলতা বিস্তার করছে। পাউবো বলছে যে তারা চিঠি দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে কাজ শুরু করতে বাধ্য হয়েছে, অন্যদিকে বন বিভাগ দাবি করছে যে দরপত্র ডাকার নিয়ম মানার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। উন্নয়নের নামে পাউবো কোনো ক্ষতি বাড়ানোর আগে কোনো আমলাতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বন বিভাগ অনুমোদন পেয়ে গাছ কাটার কাজ করেছে, কিন্তু তার পর বনায়নের সুরক্ষার বিষয়ে কোনো তদন্ত চালু করা হয়নি।
উন্নয়ন প্রকল্প সংশোধনের প্রয়োজন
উন্নয়নের নামে পরিবেশবিরোধী কাজের প্রতিকূলতা হারিয়েছে। উপকূলীয় উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা হলো উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। খননযন্ত্র দিয়ে তড়িঘড়ি করে গাছ উজাড় করার ফলে এই
