অযোধ্যায় নতুন বিতর্ক: রাম মন্দির ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি রুপি তছরুপের অভিযোগ তদন্তের দাবি
অয ধ য য় নত ন ব – অযোধ্যার রাম মন্দির বিতর্কে নতুন একটি ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার ধর্ম সেনা ভারতের প্রধান ও সাবেক করসেবক সন্তোষ দুবে একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেন। এই অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলো উত্তর প্রদেশ সরকারকে উল্লেখযোগ্য ভাবে তাদের সংখ্যালঘুতার দাবি তুলে ধরছে। বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি এই তছরুপ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।
অভিযোগপত্রে কী উল্লেখ করা হয়েছে
সন্তোষ দুবে বলেন, রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের কর্ম সংরক্ষণ ও সুরক্ষার দায়িত্ব আছে। কিন্তু তাঁদের দান বাক্স থেকে সম্পদ প্রাপ্ত হয়েছে অনেক কোটি রুপি। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো অনুযায়ী মন্দিরে উদ্ধার করা হয়েছে রত্নখচিত গয়না এবং অর্থ সংরক্ষণের বদলে তাদের আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ অভিযোগপত্রে চম্পত রাই বানসাল, অনিল মিশ্র, গোপাল রাও এবং রামশঙ্কর যাদব এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
‘আত্মসাতের কারণে অর্থ ও সম্পদের মূল্য দুই হাজার কোটি রুপির বেশি হতে পারে।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাস্টিরা নিজেদের কর্ম সংরক্ষণ করার সময় সর্বোচ্চ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। এফআইআর নথিভুক্ত করা দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও দাবি করেন যে অভিযুক্তদের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা উচিত। এই বিতর্ক সামনে আসার পর মামলা সম্পর্কে প্রতিবেদন সমূহ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের মতে, এই অভিযোগ তদন্ত করা সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব পেয়েছে।
বাবরি মসজিদ মামলার আসামি
অযোধ্যার রাম মন্দির বিতর্ক আগেও বাবরি মসজিদ মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল। গত কয়েক বছর ধরে এই বিতর্ক আগে থেকে অনেক তীব্র হয়ে উঠছে। কিছু সাংবাদিক বলছেন যে সরকার এই মামলাকে সুস্পষ্ট করে তুলতে চায়। অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে যে ট্রাস্টিরা তাদের নামে দান করছে কিন্তু সম্পদ তাদের বদলে আত্মসাত করছে। তাদের দাবি মামলার আসামি দেখা যাবে কিন্তু এখনও কোনও অভিযোগ করেছে না।
বিশেষ করে দান বাক্স থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কিন্তু
