‘আমার প্রাণপ্রিয় মেয়েটা চলে গেছে’—কায়সার হামিদের আবেগঘন বার্তা
আম র প র ণপ র য় – রাত ১টা ৩০ মিনিটে কায়সার হামিদ একটি পোস্ট করেন যা বিষাদের ছায়া ফেলে দেয়। তিনি বাবা–মেয়ের হাসিখুশি ছবি প্রকাশ করে লেখেন, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার কিছুক্ষণ আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।” কারিনা কায়সারের মৃত্যু ঘটেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করতেন কায়সার হামিদ। পরিবারের নানা মুহূর্ত ও সদস্যদের সম্পর্কে ছবি ও স্মৃতিময় পোস্ট শেয়ার করতেন তিনি। বাবা–মেয়ের হাসিমাখা ছবিগুলো অনেকের কাছেই পরিচিত ছিল। জন্মদিন, পারিবারিক আড্ডা বা সাধারণ কোনো মুহূর্তে তাঁর আবেগমাখা পোস্ট নজর কাড়ত অনুসারীদের।
আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।
মৃত্যুর কারণ ও অবস্থা
লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয় তাঁকে। শুক্রবার প্রথম আলোকে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করেন কায়সার হামিদ। ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ অনেক নিচে নেমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।
তাঁর মৃত্যুর আগে পরিবার সূত্রে জানা গেছে যে কারিনা প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন। পরে তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তাঁর লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু হয় এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতি চলছিল।
পেশার সাফল্য ও প্রতিভা
কারিনা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ওটিটি ও নাটকের জগতে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি
