বিশ্বকাপে ব্রাজিলই কি চোটের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দল
ব শ বক প ব র জ – বিশ্বকাপ ফুটবল ব্রাজিলের জন্য অন্য ধরনের একটি আবেগের সূচনা। টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতার মুহূর্তে পুরো দেশ এক সম্প্রদায় হিসেবে অপেক্ষা করে। ব্রাজিলের মানুষের জন্য এটি কেবল একটি আবেগ নয়, এটি দেশের চরম ভালোবাসার প্রতীক হয়ে ওঠে।
তবে বিশ্বকাপে যারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, তাদের জন্য এটি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো একটি ঘটনা। যাঁরা সুযোগ পান, তাঁদের অনেকে টুর্নামেন্টের প্রথম মুহূর্তে বড় আঘাতে চোট খায়। সেই মতো ক্ষতির কারণে ব্রাজিলের ক্ষেত্রে দল থেকে আবার তিনজন মূল্যবান খেলোয়াড় বাদ যাচ্ছেন। রদ্রিগো ও এদের মিলিতার নাম তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে।
বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ এখন চোট।
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে ছিটকে গেছেন এস্তেভাও। এই চেলসি খেলোয়াড়কে আনচেলত্তি কোচ অনুমোদন করেছিলেন বিশ্বকাপের স্বপ্ন পূরণ করতে। কিন্তু হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে তিনি এখনও দলে ফেরেননি। আনচেলত্তির মনে হয় এস্তেভাওকে হারানোর পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে। নিমার তারকার জন্যও চিন্তা হয়েছে। বিশ্বকাপের পর দলে তাঁর ফিটনেস সমস্যা বিপাকে পড়ার আশংকা রয়েছে।
বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ফয়েথ ও পানিচেল্লি বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে ফয়েথের জন্য এটি বড় ধাক্কা। তিনি আগেও ২০২২ বিশ্বকাপে আঘাতে অপসারিত হয়েছিলেন। তবে ব্রাজিলের মতো দুটি বড় তারকার বাদ যাওয়া তাঁদের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করবে না। দলের অন্যান্য খেলোয়াড়দের সহায়তার কারণে সামলে নিতে পারবেন।
ফ্রান্স ও জার্মানি সহ আরও কয়েকটি শীর্ষ দল বিশ্বকাপের আগে চোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ব্রাজিলের তুলনায় তাদের ক্ষতি কম বলে ধরা হচ্ছে। হুগো একিতিকে হারানোর পর ফ্রান্সের অবস্থা ভালো হয়নি। সার্জ নাবরির অনুপস্থিতি জার্মানিকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
বিশ্বকাপের অ
