ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু শিক্ষার্থীদের নৈতিক প্রতিবাদ
এক দ শ দ ই ন ত – গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্রীরামচন্দ্রের ছবি অবমাননার নৈতিক আপত্তি জানানোর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সন্ধ্যায় তারা ‘সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করে। প্রতিবাদের জন্য সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার দাবি ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিবাদের প্রেরণা ও মাগুলে প্রতিক্রিয়া
১২ জুন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মাণাধীন রাম মূর্তির বিরোধিতা করে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তখন কয়েকজন ব্যক্তি শ্রীরামচন্দ্রের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করে অবমাননার আচরণ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে তাদের দ্বারা বিক্ষোভ করা হয়।
পরিচিত নীতি প্রতিবাদের জন্য নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তা আর পালন করা হয় না। এ বিষয়ে গাইবান্ধার শ্রীরামচন্দ্র ছবি অবমাননাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা ও বিচারের আওতায় আনা দাবিও জানানো হয়।
শিক্ষার্থীদের মিছিল আয়োজনে জগন্নাথ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত প্রামাণিক বলেন, নির্বাচনের পূর্বে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবমাননার ক্ষেত্রে নীতিগত প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয় নি। সে কারণে আগামী শুক্রবার বড় আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
মিছিলে অংশ গ্রহণকারী হলের সহসাধারণ সম্পাদক দ্বীপজয় সরকার বলেন, দুই বছরে দেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হামলা ও অবমাননা ঘটেছে। কিন্তু অধিকাংশ ঘটনার বিচার হয়নি। তিনি তাঁদের প্রতি নৈতিক অবহেলা দেখানো হচ্ছে।
অভিযোগ ও ভবিষ্যৎ প্রতিক্রিয়া
প্রতিবাদের সময় শিক্ষার্থীরা গাইবান্ধায় রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ আবার শুরু করার দাবি জানান। তাদের মতে একটি গোষ্ঠী বিভাজন তৈরি করতে চায়, যার বিরুদ্ধে রুখে দেওয়া প্রয়োজন। শ্রীরামচন্দ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য হিসেবে পরিচিত। তাঁর ছবিতে জুতাপেটা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে।
হলের সমাজসেবা সম্পাদক রাম প্রসাদ সাহা বলেন, এ ঘটনা পরিচালনার জন্য আবারও সংখ্যালঘুদের প্রতি নৈতিক অবহেলা দেখা হচ্ছে। তাঁদের জন্য নীতি আর পরিবর্তন হবে না।
