মুমিনুল–তাইজুলের সেই কষ্টটা এখন বুঝতে পারেন মুশফিকও
ম ম ন ল ত ইজ ল – মুশফিকুর রহিম যাওয়ার পথে কিছুক্ষণ থামেন। সাংবাদিকদের কথায় তিনি হাসেন কিন্তু সেই হাসিতে কেউ বুঝতে পারেনি যে তিনি পরবর্তী সাক্ষাতকারে কথা বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিনা। বহুবছর ধরে মুশফিক সাংবাদিকদের সামনে আগ্রহ প্রকাশ করতে চান না, কিন্তু সংবাদ সম্মেলনের পথটা তিনি ভালো করে জানেন। এতে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
গতকাল তিনি সংবাদ সম্মেলনে প্রবেশ করার সময় ফিসফাস শুরু হয়ে যায়। সিলেট টেস্টের আগের দিন তিনি দলের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন, কিন্তু এবার ম্যাচ বা সংক্রান্ত আলাপ যেন গৌণ কাজ হয়ে গেছে। তাঁর কাছে প্রায় সব প্রশ্নই দেশের ক্রিকেট বিষয়ে ভবিষ্যৎ ছবি জানতে চায়।
মুশফিক জানায়, তিনি প্রায় দম না ফেলে বলেন, “খেলাটা এমন জিনিস, যেটা আপনার রুটিরুজি—এটার সঙ্গে আপনি বেইমানি করতে পারবেন না। কখনো সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করলেন, কখনো সারা দিন ঘুমালেন—ইটস নট লাইক দ্যাট।”
প্রায় দুই দশক ধরে তিনি বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস প্রায় কেটে ফেলেছেন। এতে তাঁর অভিজ্ঞতা যে কোনো অপেক্ষার মধ্যে ছাপিয়ে গেছে। এখন প্রতিটি ব্যক্তির জীবনে এই উপলব্ধি আছে যে বাংলাদেশের নতুন টেস্ট দলটি বেশি ধারাবাহিক।
সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, “ও কখনো সংকোচ করত না”—নাহিদের কথায় তিনি মুগ্ধ। পূর্বে বাংলাদেশের সেরা দল আছিল, তবে প্রতিটি সংস্করণে নানা ব্যক্তিগত পারফরমান্স ছিল। তাঁর মতে, ধারাবাহিকতার দিক থেকে এখন টেস্ট দল বেশি প্রাসঙ্গিক।
তিনি আরও বলেন, “দু–তিন বছর শুধু একটা সংস্করণ খেলে আমি তাদের কষ্টটা টের পেয়েছি। ওরা এটা ১০–১২ বছর ধরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই করে যাচ্ছে।”
মুশফিক অবশেষে আর কোনো সুযোগ রয়েছে না বলে কিছু সময় মনে করেন। “কাল বাঁচব কি না, তা–ই তো বলতে পারি না…” বলে তিনি সবার সঙ্গে হাসেন।
বর্তমানে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য অপেক্ষা করার কষ্টটাও মনে আসে। “বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে এত দূর আসার পেছনে আমি মনে করি দুজন ব্যক্তি অনেক বড় অবদান রেখেছেন—মুমিনুল আর তাইজুল।”
আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ দু
