Uncategorized

ব্র্যাকে আরও তিনটি শিখন তরি, শিশুদের মধ্যে তৈরি হবে জানার আগ্রহ

ব্র্যাকে নতুন শিখন তরি উদ্বোধন করা হয়েছে ব র য ক আরও ত নট - নারায়ণগঞ্জের কদমরসুল দরগাহ মাঠে আজ সোমবার ব্র্যাক পরিচালিত শিখন তরিগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

Desk Uncategorized
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ব্র্যাকে নতুন শিখন তরি উদ্বোধন করা হয়েছে

ব র য ক আরও ত নট – নারায়ণগঞ্জের কদমরসুল দরগাহ মাঠে আজ সোমবার ব্র্যাক পরিচালিত শিখন তরিগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন তরি দিয়ে যুক্ত হয়েছে পরিবেশ তরি, ডিজিটাল তরি আর ইতিহাস তরি। নতুন তিনটি তরিকে যোগ করার পর এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি তরি চলছে।

তরিগুলোতে পরিবর্তন ঘটছে

অনুষ্ঠানে শিশুদের জন্য সংগৃহিত উপকরণগুলো আগের তিনটি তরির বিষয়বস্তু থেকে পরিবর্তিত হয়েছে। গণিত, মূল্যবোধ আর বিজ্ঞানের পরিবর্তে এবার স্থান দেওয়া হয়েছে জানার আগ্রহ আর কৌতূহল ঘটানোর জন্য নতুন বিষয়গুলো। কিছু শিশু সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিষয় সংশ্লিষ্ট পরিবেশ তরির সামনে একটি ছবি দেখায়।

আসিফ সালেহ বলেন, ‘পরীক্ষায় পাস করতে হবে এটাই হচ্ছে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য বলে ভাবতাম। বিদেশে গিয়ে দেখি মুখস্থ বিদ্যায় কোনো লাভ নেই। বাস্তব জীবনে সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়।’

আগ্রহ তৈরি করা হচ্ছে শিশুদের মধ্যে

তরিগুলো ভেতরে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের কৌতূহল জাগানোর উদ্দেশ্যে নতুন কার্যক্রম। রোবটের হাতের মাধ্যমে সমাধান করার ক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইস ক্যামেরা বইয়ের পাতা দেখালে তা থেকে বাঘ, হাতি, মানবদেহ, রকেট বা সৌরজগৎ মডেল চলছে। শিশুরা খেলতে খেলতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও সহজে বুঝতে পারছে।

তরিগুলো দিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পৃথিবীর যত্ন নেওয়া, নদী রক্ষা করার মতো নানান কথা লেখা আছে। শিক্ষার্থীদের মনে জানার আগ্রহ জাগানো এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে যোগ্যতা তৈরি করা হচ্ছে।

অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সুনামগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছিল মূল্যবোধ, গণিত আর বিজ্ঞান তরিগুলোর যাত্রা। বর্তমানে তরিগুলো ভোলায় অবস্থান করছে। এ পর্যন্ত ৪৬২ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে ১৬টি জেলায় ৭৭টি স্পট থেকে প্রায় ৮০ হাজার শিক্ষার্থী অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার বক্তব্য দেন। শিশুদের জন্য তরিগুলো প্রথম পরিচয় দিয়েছে বিজ্ঞান অনুসন্ধান এবং গল্প বলা কাজে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এগুলো কৌতূহল তৈরি করেছে।

নিভিন রেজা বলেন, ‘নদী বেষ্টিত অঞ্চলের শিশুদের জন্য এই তরিগুলো নতুন করে কৌতূহল জাগাবে। স্পর্শ করার মাধ্যমে জানার আগ্রহ তৈরি হবে।’

Leave a Comment