ট্রফি তাদের, উৎসব আমাদের
ট রফ ত দ র উৎসব – এটি ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল একটি সাধারণ খেলনা বা মুখ্য প্রতিযোগিতা হিসেবে নয়, বিশ্বের মানুষের মধ্যে এক সামগ্রিক আবেগের প্রতিনিধিত্ব করে। বিশ্বকাপের আওতায় পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ একটি বলের দিকে তাকিয়ে এক সামাজিক সম্মিলনে যুক্ত হয়ে যায়। যাদের মধ্যে সবার আগে প্রতিযোগিতার নেপথ্য শুভ পরিবেশ তৈরি করে আমরা আবেগে ভরা হয়ে ওঠি।
বাংলাদেশের সামাজিক উৎসবের অপরাধ ও সংঘটন
বাংলাদেশের সীমানা যখন স্বাগত জানানোর জন্য উদ্বোধনী বাঁশি কেন্দ্র করে দাঁড়ায়, তখন গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সবখানে উৎসবের প্রাণ ঝুলে ওঠে। যদিও দেশটি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেনি, কিন্তু খেলোয়াড়দের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দেশের জাতীয় সংগীত পর্দায় চোখের জল ফেলে দেখে আমরা তো মনের গভীরে প্রশ্ন জেগে ওঠে, কবে আমাদের সবুজ পতাকাও বিশ্বকাপের এই সৌন্দর্যে উড়বে।
ফুটবলের আনন্দে ভরা এই উৎসব যেখানে বিভিন্ন দেশের পতাকা উড়তে থাকে দিগন্তে, সেখানে বাংলাদেশি মানুষ নিজেদের জার্সিতে জড়িয়ে প্রতিটি মুহূর্ত সম্পূর্ণ স্পন্দন করে। আর যখন কেউ কে কার চেয়ে বড় খেলোয়াড় বা দল হলো বিতর্কের জন্ম দেয়, তখন সেই আবেগ কখনো ধারালো যুক্তি করে থাকে, কখনো আবার নিখাদ অন্ধ সমর্থন হিসেবে চলে। এ সব বিষয়ে আইনি দৃষ্টিভঙ্গি ও শাসনের সংগঠনের দরকার রয়েছে।
আমি মনে করি, আমাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও আইনের প্রয়োগ সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের আইন এ বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট। ফৌজদারি আইনের আওতায় বিদ্বেষমূলক পোস্ট বা মন্তব্য করা যেতে পারে কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনে আবেগের জন্য ডিজিটাল প্রমাণ গ্রহণযোগ্য।
ট্রফি তাদের, উৎসব আমাদের – জাতীয় আবেগের সূচনা
এসব সমস্যার মধ্যে যে মুহূর্তে প্রাণচাঞ্চল্য ঘটে, তখন পুলিশ প্রশাসন আগাম ব্যবস্থাও নিতে পারে। কিন্তু এর আগে আমাদের নিজস্ব মানসিকতার পরিবর্তন সর্বোপরি প্রয়োজন। বিশ্বকাপ এ দেশে সবুজগালি প্রতি একটি প্রশ্ন তুলে দেয় কিভাবে আমাদের অন্য দেশের বদলে আমাদের পতাকাকে সম্মানে উড়তে দেখা যাবে।
স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত ক্রীড়া প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা যে সামাজিক উন্নয়নের পথ খুঁজে বের হতে পারি। রাত জেগে প্রতিটি গোল দেখে কাছাকাছি শহর জুড়ে শুরু হয়ে যায় এক প্রকার গোলাপি উৎসব। এ জন্য �
