জামালপুরে দুই বাংলাদেশি মানুষ রাশিয়ায় অবস্থিত সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন
র শ য় র হয় য দ – রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় জামালপুরের দুই বাংলাদেশি সৈনিক নিহত হয়েছেন। মাদারগঞ্জ উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামে বসবাস করতেন মাফল মিয়া (২৪), যিনি ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ড্রোন হামলার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। অপর সৈনিক রায়েরছড়া গ্রামে মো. আরিফ মিয়া (৩০) ছিলেন। গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে দুই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে পরিচিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে। ঘটনার পর থেকে জামালপুর জেলার মানুষদের মধ্যে দুঃখ ছড়াচ্ছে এবং এই ঘটনার মাধ্যমে তাদের যোগ্যতা ও সাহসের কথা উঠে আসছে।
মৃত সৈনিকদের প্রাণ হারিয়েছে সময়ের সঙ্গে সময়ের জন্য
বাংলাদেশে একাধিক মানুষ রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে যোগদান করেছেন। গত কয়েক মাসে এই মানুষদের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ঘটনাগুলি প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইউক্রেন সৈন্যদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করার প্রস্তাব এসেছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধে গিয়ে বাংলাদেশের সাথে আংশিক সম্পর্ক বিস্তার করার পরিকল্পনা ছিল ইউক্রেন বিরুদ্ধে সংঘটিত এই ড্রোন হামলার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করার জন্য। এই ঘটনার ফলে বাংলাদেশে বিশেষ করে জামালপুরে সামাজিক প্রতিক্রিয়া প্রায় সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
পরিবারের শোক ও অভিযোগ
মাফল মিয়া ও আরিফ মিয়া দুই ব্যক্তি পরিবারের পক্ষে মারাত্মক হার্ট ফেলেছেন। মাদারগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক আহত হাসপাতালে তাদের চিকিত্সার পর থেকে দুই সৈনিক মৃত হন। ঘটনার পর থেকে তাদের পরিবারের অভিযোগ রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধে গিয়ে বাংলাদেশি সৈনিকদের পরিবেশ ও স্থান অনুপযোগী হওয়ার কারণে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবারের কর্তৃপক্ষ রাশিয়ায় অবস্থিত সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধে গিয়ে বাংলাদেশের সামাজিক বাধ্যতামূলক সম্পর্ক কেন অস্থিতিশীল হয়ে আসছে তা নিয়ে বিতর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে বাংলাদেশি সৈনিকদের দুঃখ ও বিমান হামলার সামনে তাদের মৃত্যুর কারণ খুঁজে বার করতে হবে।
রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে যুদ্ধে গিয়ে বাংলাদেশি সৈনিকদের কাজের বিস্তার করেছে ইউক্রেন বিরুদ্ধে যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের পরিচিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ এই স
