যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির প্রক্রিয়া পিছনে পড়েছে ইসরায়েলের হামলার কারণে
য ক তর ষ ট র ইর – লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর এবং ইরানের পাল্টা হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সই করার কাজ এখন রোববারের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে জানান যে ইসরায়েলের হামলার কারণে চুক্তি সই করার প্রক্রিয়াটি কয়েক ঘণ্টা পিছনে পড়েছে।
ট্রাম্প অ্যাক্সিওসের সাথে ফোনালাপে বলেন, “(ইসরায়েলের আজকে হামলা) সবকিছু কিছুটা ওলটপালট করে দিয়েছে। এটি চুক্তি সই করার প্রক্রিয়াকে কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়েছে। এটি এখনই হওয়ার কথা ছিল। তবে এখন থেকে আর কয়েক ঘণ্টা পর তা সম্পন্ন হওয়ার নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।”
ট্রাম্প জানান যে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে তাঁর উপদেষ্টারা তাঁকে ফোনে ব্রিফ করার পর তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ ও স্তম্ভিত হন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অ্যাক্সিওস বলেছে যে ট্রাম্প এই ঘটনাকে “খুবই খারাপ একটি বিষয়” হিসেবে বিবেচনা করেছেন এবং এটি তাঁদের চুক্তি সই করার মুহূর্তে এক ঘণ্টা আগে ঘটেছে।
ইরানের স্পষ্ট হুমকি
বৈরুতে ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলার পর ইরান কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এই হুমকি ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি দেন। তিনি বলেন, “বৈরুতের দাহিয়াহ এলাকায় ইসরায়েলের আজকের অপরাধ যুক্তরাষ্ট্র কতটা দুর্বল ও গ্রহণযোগ্যতাহীন তা আবারও প্রমাণ করেছে। তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এই অবৈধ শাসকগোষ্ঠীকে (ইসরায়েলকে) নিয়ন্ত্রণ করার পর্যন্ত ক্ষমতা রাখে না।”
আজিজি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “একটি কড়া জবাব আসছে।”
চুক্তি সই করার সময় নির্ধারণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি সই করার খসড়া প্রসঙ্গে গতকাল শনিবার থেকে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে রোববারের মধ্যে ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি হতে পারে।
তবে ইরান জানিয়েছে যে চুক্তির প্রায় সবকিছু চূড়ান্ত। রোববার নয়, কয়েক দিনের মধ্যে চুক্তি সই হতে যাচ্ছে। সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে, তাতে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করার বিষয়টি চুক্তিতে স্থান পেতে পারে কিনা তা পরিষ্কার নয়।
