বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
ব ড় গঙ গ নদ থ ক – বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর বিশেষ অবস্থায় মরদেহটি আর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অর্ধশতাব্দী ব্যাচের একজন শিক্ষার্থীর সম্ভাব্য পরিচয়পত্রের সাথে মিলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম উল্লেখ করেছেন যে মরদেহটি সঠিকভাবে চিন্তা করে পরিচয়পত্র সহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক পর্যায়
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র সহ পরিচিত হয়েছে। কিন্তু লাশের আকৃতি ও আকার বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নিশ্চিত করতে পারা যায়নি পূর্বাভিমত। সূত্র থেকে জানা গেছে যে লাশটি প্রায় দুই-তিন দিন আগে নদীতে নেমে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সম্ভবত জলপথে কোনও দুর্ঘটনা বা অন্য কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
“বুড়িগঙ্গা নদীর সমুদ্রতীরে লাশটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি কিছু দিন আগের ঘটনা। লাশের পাশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড পাওয়া গেছে, যা শিক্ষার্থীর বিষয়ে সম্ভাব্য পরিচয় নির্ধারণে সাহায্য করে।”
নৌ পুলিশ ও পরবর্তী পদক্ষেপ
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে লাশ উদ্ধারের পর ঢাকা নৌ পুলিশ সংশ্লিষ্ট হয়েছে। পুলিশ তদন্ন চালানো হয়েছে এবং মরদেহের পরিচয়পত্রের সাথে তুলনা করে অনুমান করা হয়েছে যে এটি শিক্ষার্থী বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সম্ভবত মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। লাশটি আগে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম কর্তৃক সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে মরদেহটি উদ্ধারের পর অধিকাংশ তথ্য সঠিকভাবে পরিচয়পত্রের সাথে মিলে যাচ্ছে।
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু ছাত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন যাতে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে পাওয়া লাশটি তাদের মধ্যে একজনের সম্ভাব্য অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন লাশটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ সিদ্ধান্ত নেয়।
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে ময়নাতদন্তের জন্য অবতরণ করা হবে। এ বিষয়ে সূত্র থেকে জানা গেছে যে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে বিশেষ রকম চিন্তা উপস্থিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী সংগঠন এবং নৌ পুলিশের সহযোগে এখন মৃত পার্শ্বে পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার ঘটনার পর স্থানীয়
