Uncategorized

খুনের পর বন্ধ ছিল মুঠোফোন, পালিয়ে যান এলাকা ছেড়ে, তবু যেভাবে ধরা পড়েন খুনি

ফেনীতে বন্ধ ছিল মুঠোফোন, তবু যেভাবে খুনি ধরা পড়েন খ ন র পর বন ধ ছ - ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় বসবাস করতেন সাইফুল ইসলাম

Desk Uncategorized
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফেনীতে বন্ধ ছিল মুঠোফোন, তবু যেভাবে খুনি ধরা পড়েন

খ ন র পর বন ধ ছ – ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় বসবাস করতেন সাইফুল ইসলাম (২৯)। তিনি নির্মাণাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। শুক্রবার বিকেলে ফেনী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোরশেদ মাহমুদ খানের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁকে জবানবন্দি দিতে হয়েছে। পুলিশ জানায়, তিনি ঘটনার পর মুঠোফোন বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। যাওয়ার আগে তিনি যোগাযোগের নম্বরগুলো চিহ্নিত করে নজরদারি করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী রিনা আক্তার খুনের ঘটনায় আসামি সাইফুল ইসলামের স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণিত হয়। তিনি মামলার প্রতিষ্ঠাতা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ কাউসার আলম ভূঁইয়া এবং ফেনী মডেল থানার সম্প্রতি হত্যা মামলা করেন মহররম আলী বলে জানায়। সাইফুল জবানবন্দিতে বলেন, রিনার কানে থাকা স্বর্ণের দুল খুলে নেওয়ার পর গলায় অতিরিক্ত চাপ পড়লে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়।

পরে মরদেহ লুকাতে নির্মাণাধীন ঘরের মেঝেতে বালু চাপা দেন সাইফুল। তিনি আদালতেও একাই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করেছেন।

স্বর্ণের দুল বিক্রির জন্য স্থানীয় একটি দোকানে তা খুনি বিক্রি করেন। তিনি কেবল প্রাপ্ত টাকা দিয়ে ইয়াবা সেবন করেন। পুলিশ সুপার উক্য সিং মারমা বলেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে এ মামলার আগে ফেনী মডেল থানায় মারামারির মামলা রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মাদক মামলা নেই।

মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার পূর্বে সাইফুল নির্মাণাধীন ভবনের বালু সরাতেই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। গলায় আঙুলের ছাপ থাকার কারণে তাকে সন্দেহভাজন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা কাউসার আলম ভূঁইয়া জানান, আসামির জবানবন্দি প্রমাণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফেনী কোর্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, জবানবন্দি শেষে সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মামলায় সম্পৃক্ত হিসেবে নির্মাণশ্রমিক সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করেন পুলিশ।

Leave a Comment