বিশ্বকাপ ও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উন্মাদনার মনস্তত্ত্ব
ব শ বক প ফ টবল ও – ২ জুন হবিগঞ্জের কাশীপুর গ্রামে স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের মুহূর্তে সংঘর্ষ ঘটে। দুই দলের সমর্থকদের পরস্পর মধ্যে প্রাণ হারায় অন্তত ৫০ জন। স্থানীয় খেলনার কারণে হাজার মাইল দূরের দুই লাতিন দেশের আবেগ বাংলাদেশের গ্রামে রক্তপাতের মূল হয়ে উঠেছিল।
৯ জুন মানিকগঞ্জ সদরে পছন্দের দলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে এক কিশোরের প্রাণ হারানো ঘটে। ফুটবলের সমর্থনে তৈরি অসহিষ্ণুতার প্রকৃতি এখনও বিশ্বকাপের সময় প্রকট হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বিরোধ ছড়ায়, কিছু এলাকায় হাতাহাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা দেখা যায়। কোথাও পতাকা টাঙানো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি চালানো হয়।
দুঃখের কথা, সেই অকৃত্রিমতা আজ ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে।
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও এর সমর্থন কেন্দ্র করে আমরা কখনো কখনো অসহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়ে থাকি, যার সঙ্গে খেলার সত্যিকার দর্শনের কোন সম্পর্ক নেই। ফুটবলের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। ইতিহাসবিদেরা এর শিকড় খুঁজে পান প্রাচীন চীনের ‘চুজু’ খেলায়। পরে ইংল্যান্ডে আধুনিক ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যে এটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার চূড়ায় পৌঁছেছিল।
ফুটবল তো শুধু খেলা নয়; এটি কায়িক ও মানসিক সুস্থতার অন্যতম মাধ্যমও বটে। খেলাধুলা শরীরকে সক্রিয় রাখে, হৃদয়ন্ত্র সুস্থ রাখে, মানসিক চাপ কমায়। একই সঙ্গে তা দলগত কাজ, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে।
যে শিশুটি দামি খেলনা কেনার সামর্থ্য রাখত না, তারও থাকত এ খেলায় সমান হিস্যা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি চালানোর সুযোগ ক্রমশ কমে আসছে। আজকের শিশু-কিশোরেরা মাঠে দৌড়ানোর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে বেশি পোক্ত হয়ে উঠছে। তাই তাদের মাঠে ফিরিয়ে নেওয়ার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।
ঢাকা মহানগরে তাকালে চমকে উঠতে হয়। মোট ২�
