বক তব য র শ ষ স্লোগানে মুক্তিযোদ্ধাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ
বক তব য র শ ষ জয় – নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় একটি সভায় বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত করে এবং তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হাজীনগর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ক্ষোভ ও উত্তেজনা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এটি ভুলের কারণে ঘটেছে। অন্যদিকে ওই স্লোগান দেওয়ার পর আমাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়।’
ঘটনার প্রতিক্রিয়া
আলাউদ্দিন নামে পরিচিত যুবদলের কর্মী এবং তাঁর সহযোগীদের বিষয়টি তুলে ধরেছেন যে মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দিতে এলেন। কিন্তু বক্তব্যের শেষে স্লোগান দেওয়ায় তাঁর সঙ্গে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম মিজানুর রহমান বলে জানানো হয়। আলাউদ্দিন তাঁকে নিজেকে যুবদলের কর্মী বলে দাবি করেছেন, যদিও সেই পদের প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে ভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে।
স্লোগানের অর্থ এবং ইতিহাস
‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে কিছু মতামত দেওয়ার সময় স্লোগানটি অপব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বলেছেন, তিনি তার ভুল স্বীকার করেছেন। তবে বিষয়টি স্থানীয় নেতাদের হাতে সম্পূর্ণ সমাধানের দাবি তোলা হয়েছে।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিয়ামতপুর ইউনিটের সভাপতি ও কর্মকর্তা কয়েক জন তীব্র আপত্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্লোগানে আপত্তি করার যোগ্যতা নেই। অন্যদিকে, কয়েকজন ব্যক্তি এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন যে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বাধ্য করা হয়ে
