শরণার্থী শিবির থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে: অস্ট্রেলিয়ায় আফ্রিকান খেলোয়াড়দের অভিষেক
শরণ র থ শ ব র থ – বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া দলের মাঠে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তিন খেলোয়াড় তাদের ক্ষমতা দেখাচ্ছে। তাঁদের সাথে সংঘাত ও যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া মোহাম্মদ তুরে, নেস্তরি ইরানকুন্ডা ও আওয়ার মাবিল তাদের বৃত্তির জন্য দেশের প্রতি ঋণ শোধ করছে।
তুরে তানজানিয়ার শরণার্থী শিবিরে জন্ম নিয়েছিলেন। তাঁর বাবা-মা লাইবেরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বেঁচে থাকার জন্য বাঁচিয়েছিলেন। ইরানকুন্ডা বুরুন্ডিয়ান পরিবারের ছেলে হিসেবে জন্ম নেন তানজানিয়ায় শরণার্থী শিবিরে। মাবিল কেনিয়ার শরণার্থী শিবিরে সুদানের গৃহযুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে প্রায় ১০ বছর কাটিয়েছেন।
তিনজনে এক হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনাইটেডে। তুরে ও ইরানকুন্ডা একসঙ্গে সেখানে খেলেছেন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া দলের স্কোয়াডে প্রায় এক-চতুর্থাংশ খেলোয়াড় আফ্রিকান। এটি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে।
“অস্ট্রেলিয়া আমাদের বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। আমার মনে হয়, দেশের হয়ে অবদান রাখাই হলো সেই ঋণ শোধ করার সেরা উপায়।”
আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের অস্ট্রেলিয়া দলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির লিগে খেলা ২২ বছর বয়সী তুরে নিশ্চিত ভাবে দলের প্রত্যাশা বেশি। নরউইচ সিটিতে ১১ ম্যাচে ৯ গোল করা তিনি অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচের প্রথম পছন্দ।
মাবিল স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের দল ক্যাস্তোলিয়নে ভালো খেলেছিলেন। তিনি মাঠে দেখানো পারফরম্যান্স ও গোল উদ্যাপনের নজরকাড়া ভঙ্গির কারণে অস্ট্রেলিয়ান আলোচনার মুখ্য বিষয়। তাঁর জন্য এবারের বিশ্বকাপ বিশেষ গুরুত্বের কারণ হলো গত কয়েক বছর তাঁর স্বপ্ন বাড়তি দেখা যায়নি।
অস্ট্রেলিয়া দলে শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে ফুটবল লাভবান হলেও এ নিয়ে বিতর্ক কম নয়। আফ্রিকান মুখ্য বিষয়ে বিতর্ক চালু হয়েছে। সামাজিক সমস্যার জন্য অভিবাসীদের দায়ী করার আবেদন করে রাজনৈতিক বিষয়টি সৃষ্টি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ায় শরণার্থী শিবির থেকে আসা তিন খেলোয
