Uncategorized

রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স বিজয়ী বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্প

র ব ইন ট রন য শন - বিশ্ব স্থাপত্যের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স ২০২৬-এ স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি

Desk Uncategorized
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

র ব ইন ট রন য শন – বিশ্ব স্থাপত্যের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স ২০২৬-এ স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্থাপত্য প্রকল্প। সাভারের জেবুন নেসা মসজিদ ও ঢাকার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস এবার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।. ১০ জুন ব্রিটিশ স্থপতিদের সংগঠন রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (রিবা) ২০২৬ সালের জন্য ৩৪টি বিজয়ী প্রকল্পের নাম ঘোষণা করে। ১৫টি দেশ ও ৪টি মহাদেশের এসব প্রকল্প সামাজিক, পরিবেশগত ও নগরায়ণ-সংক্রান্ত সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থাপত্যের সৃজনশীল ও মানবিক প্রয়োগের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছে।. এবারের বিজয়ী সব প্রকল্পই এখন রিবার সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সম্মাননা ‘রিবা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ’-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়ার প্রতিযোগিতায় আছে। আগামী ১৫ অক্টোবর লন্ডনের ওল্ড বিলিংসগেটে অনুষ্ঠেয় রিবা স্টার্লিং প্রাইজ অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।.

রিবার ভাষ্য অনুযায়ী, পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো দেখিয়েছে—কীভাবে সুচিন্তিত স্থাপত্য জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, আবাসন ও অবকাঠামোগত সংকটের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এসব প্রকল্প প্রমাণ করেছে, স্থাপত্য শুধু ভবন নির্মাণের বিষয় নয়; বরং মানুষের জীবনযাপন, সামাজিক যোগাযোগ ও পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলারও একটি মাধ্যম।. সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া দরগারপাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদটি নকশা করেছেন স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা। স্টুডিও মরফোজেনেসিসের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সায়কা এই মসজিদে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও স্থাপত্যগত উদ্ভাবনের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করেছেন।. বাংলাদেশের গ্রামীণ উঠান, বাঁশঝাড়, পারস্যের আঙিনাবেষ্টিত বাড়ি, লুই আই কানের জাতীয় সংসদ ভবনের প্রেয়ার হল এবং ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়া—বিভিন্ন উৎস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি মসজিদটির নকশা করেন।.

আইডিএস গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানার কর্মীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর প্রয়াত মা জেবুন নেসার স্মৃতিতে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তবে এটি শুধু কারখানার কর্মীদের জন্য নয়; সাধারণ মুসল্লিদের জন্যও উন্মুক্ত।. গত বছর মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’-এর ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস ২০২৫’ তালিকায় স্থান পায় জেবুন নেসা মসজিদ। এ ছাড়া ভারতের জেকে সিমেন্ট আয়োজিত ৩৪তম স্থাপত্য পুরস্কারে এই প্রকল্পের জন্য ‘আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পান সায়কা ইকবাল। অনলাইন স্থাপত্য প্ল্যাটফর্ম ডিজিনের ‘টপ ফাইভ সিভিক প্রজেক্টস’ এবং আর্কডেইলির ‘টপ ফাইভ রিলিজিয়াস প্রজেক্টস’-এর তালিকায়ও স্থান করে নেয় স্থাপনাটি।. রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় প্রায় সাত একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসটিও এবার রিবার স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ডব্লিউওএইচএ নকশা করেছে ক্যাম্পাসটি।.

এই ক্যাম্পাসে প্রকৃতি ও স্থাপত্যকে একসঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। রিবার মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উষ্ণ, আর্দ্র ও মৌসুমি জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাম্পাসটি নকশা করা হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে খোলা হাওয়া চলাচলের পথ, সবুজ টেরেস, প্রাকৃতিক আলো ও ক্রস-ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমানো যায়।. বহুতল ভবনটির নিচে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর এবং ওপরে একাডেমিক কার্যক্রমের স্থান বিন্যস্ত করা হয়েছে। উল্লম্ব ও অনুভূমিক সবুজায়নের মাধ্যমে ঘনবসতিপূর্ণ নগর পরিবেশেও কীভাবে প্রকৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তার একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে এই ক্যাম্পাস।. ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একে দেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ‘ইনার সিটি ক্যাম্পাস’ হিসেবে উল্লেখ করে। আধুনিক গ্রন্থাগার, শ্রেণিকক্ষ, উন্মুক্ত মিলনস্থান, ছাদে খেলার মাঠ ও জগিং ট্র্যাক—সব মিলিয়ে এটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সমন্বিত নগর শিক্ষাঙ্গনের ধারণা তুলে ধরে। .ওয়ার্ল্ড ফুড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডসের দুটি শাখায় প্রথম হয়েছে বাংলাদেশের ছবি

Leave a Comment