হামলার অভিযোগে লাশ আটকে চিকিৎসকদের বিক্ষোভ, স্বজনদের মহাসড়ক অবরোধ
হ মল র অভ য গ ল – রংপুরে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। পরিবারের দাবি, অক্সিজেন না দেওয়ায় রোগী মারা গেছেন। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, মৃত্যুর পর চমৎকার ভোগান্তি ও ক্ষুব্ধ পরিবারের হামলা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মৃত রোগীর লাশ মর্গে রাখার অভিযোগ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে উঠেছে। অবিলম্বে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে।
নুর নাহার বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের কাছে অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটে এবং মৃত্যু ঘটে। পরবর্তী পর্যায়ে হাসপাতাল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে লাশ স্বজনদের কাছে প্রেরণ করা হয়।
রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার ভোরে নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুর নাহার বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ছেলে রিফাত তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের কাছে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করলে আগে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে স্বজনদের দাবি। অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরও লাশ নামিয়ে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশিকুর রহমান জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। রোগীকে হাসপাতালে আনার পরপরই মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দায়িত্বরত চিকিৎসকের কোনো গাফিলতি ছিল না। কোনো কারণ ছাড়াই চিকিৎসক নাঈম, রাকিবসহ অন্যদের মারধরের চেষ্টা করা হয়। এমনকি দায়িত্বরত নার্সের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের নির্দেশনায় পুলিশ প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক প্রতিনিধি ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পুলিশ দাবি করেছে, আলোচনার এক পর্যায়ে র
