সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যের প্রসার বৃদ্ধি পেয়েছে
এক সপ ত হ অপতথ য ছড় – বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের প্রতি নির্যাতন সম্পর্কে আলোচনা চলছে। এই সংবেদনশীল বিষয়টিকে ব্যবহার করে অপতথ্যের ছড়াছড়ি বেশি হয়েছে। গত এক সপ্তাহে একাধিক সূত্রে শনাক্ত করা যায় যে অপতথ্যের মধ্যে বেশি সংখ্যক ঘটনার ভিডিও নির্যাতন বিষয়ে নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জের ভিডিও অপতথ্য হিসেবে প্রমাণিত
গত মে মাসে খালে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যাওয়া কিশোরীর ঘটনাকে ভিত্তি করে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। দাবি হচ্ছে, ‘নদীতে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা তরুণীকে ধর্ষণের পর।’ যাচাইয়ে দেখা যায়, ঘটনায় ধর্ষণ হয়নি। কিশোরগঞ্জে এক শিশু বেশি আস্থাভাজন করেছে যে এটি সত্য নয়।
রাজনৈতিক পক্ষের সংশ্লিষ্টতা ছিল না
কয়েকটি অপতথ্য ঘটনার মধ্যে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। যেমন বিএনপির নেতারা নির্যাতনের দাবি তুলে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। অথচ সেই ভিডিওটি বাংলাদেশে ছিল না। এটি ভারতের কোচবিহারে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধারের দৃশ্য প্রকাশ করেছে।
এমন মিথ্যা প্রচারের প্রবণতা অনুসরণ করে একটি ভিডিও ছিল যেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মী তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যাচাই করে দেখা যায়, এই ভিডিওটি বাংলাদেশে নয়। এটি ভারত সীমান্তে ট্যাংক মোতায়েন করার দাবি তৈরি করেছে পুরোনো ছবি। অপতথ্য ছড়িয়েছে এমন কয়েকটি ভিডিও গত সপ্তাহে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে। যেমন দাবি করা হয়, ডিভোর্সের পর বাবা–মা সন্তানকে এতিমখানায় ফেলেছেন। যাচাইয়ে দেখা যায়, এটি তৈরি করা কনটেন্ট।
“গ্রাহকদের স্বার্থে নয় জামাতের স্বার্থে আমরা আন্দোলন করছি”
এই ভাষাটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের ছবি দাবি করে ছড়িয়ে পড়েছে। যাচাইয়ে দেখা যায়, সেই ছবিতে ব্যক্তির হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডটি সম্পাদনা করে ভিন্ন বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। অপতথ্য ছড়িয়েছে বিভিন্ন স্থানে।
এক সপ্তাহে যাচাই করে দেখা যায়, পূর্বে কয়েকটি অপতথ্য প্রচার করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। যেমন রিউমর স্ক্যানার সংখ্যক অপতথ্য শনাক্ত করেছে। তার মধ্যে রিউমর স্ক্যানার ৬৬টি, বাংলা ফ্যাক্ট ১৫টি, ফ্যাক্ট ওয়াচ ৮টি, দ্য ডিসেন্ট ৭টি এবং ডিসমিসল্যাব ৬টি করে। মোট ১০২টি অপতথ্য শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে বেশি ভিডিও ছড়িয়েছে কিশোরগঞ্জের ঘটনার মতো সংখ্যাগুরু অপতথ্য সৃষ্টি করেছে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামে ভুয়া উক্তি ছড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনকে উদ্ধৃত করে বিএনপি সরকারের বিমূঢ় মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে। যাচাইয়ে দেখা যায়, তিনি এমন কিছু বলেননি। আর জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্ধৃত করে একটি উ
