রাঙামাটি ত প: পাহাড়ধসের ঝুঁকি থেকে বেঁচে থাকা মানুষের সাহস
র ঙ ম ট ত প হ – রাঙামাটি ত প অঞ্চলে গত সালের ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড়ধসের পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা আজও সম্পূর্ণ ভয় ছাড়া পাহাড়ের ঢালে বসবাস করছেন। সেই বৃষ্টি ক্ষয়ক্ষতির স্মৃতি পুরো পরিবারে গভীর চিন্তা তৈরি করেছে, যেখানে টানা গুরুতর বর্ষণে প্রাণ হারিয়েছিল অসংখ্য মানুষ। এতে রাঙামাটি ত প এলাকার জনগণ বিপর্যয়ের মুখোমুখি জীবনের ঝুঁকি গ্রহণ করে বসবাস করছেন। গুরুতর ক্ষতির পরও অস্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বা পাহাড় কেটে বাসস্থান স্থাপন করে তারা সময়ের সাথে সাথে মনে করেন যে সেই পরিস্থিতি আরও হালকা হবে।
প্রাণ হারিয়েছিল রুমি আক্তারের পরিবার
রাঙামাটি ত প কাছাকাছি অবস্থিত এলাকার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস এই দুর্ঘটনার বুকে তাঁর স্ত্রী রুমি আক্তারের মৃতদেহ খুঁজে পাননি। যে রাতে পাহাড়ধস ঘটেছিল, তা স্মৃতি থেকে তিনি বুঝতে পারেননি যে তাঁর স্ত্রী অস্থায়ী পরিবার স্থাপন করে কিছু মাস পর পর দেখা যাচ্ছে। কিছু সময় পর হারানো প্রাণের কথা ভুলে তাঁরা পুনরায় বাসস্থানের খোঁজ নিচ্ছেন। আবদুল কুদ্দুস বলেন, “আমি আজও তাঁর মৃতদেহটি খুঁজছি, কারণ রাঙামাটি ত প এর নিয়ম আমাদের কাছে কোনও পরিবর্তন হয়নি। সেই ঢাল কাছে বসবাস করতে গিয়ে আমি তাঁকে হারিয়েছি।”
বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পরিত্যাগ করছে কেউ না
রাঙামাটি ত প এর বাসিন্দারা বিপর্যয়ের পর থেকে তাদের বাসস্থানে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। গুরুতর ক্ষতি সত্ত্বেও কেউ কেউ বিকল্প বাসস্থানে সরে আসছেন না। বলা হচ্ছে যে পাহাড় কেটে বসতি তৈরি করতে গেলে নতুন ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাবে। রাঙামাটি ত প এর স্থানীয় কিছু বাসিন্দা বলেন, “আমরা যে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি, তা নতুন করে অবিচ্ছিন্ন হারানো প্রাণ সম্পর্কে আমাদের চিন্তা করতে হবে।”
রাঙামাটি ত প এর স্থানীয় অবস্থা আজও বিপর্যয়ের ছাপ বহন করছে। বিশেষ করে ঢাল কাছাকাছি বাসস্থান থেকে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে। বিপর্যয়ের পর যে স্থানীয় সরকার বা স্থানীয় বাসিন্দারা কোনও কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি, তাই রাঙামাটি ত প এর ঢাল কাছে অত্যন্ত সম্ভাব্য ধসের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। কিছু অঞ্চলে জল স্রোত অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যে সম্ভাব্য আসন্ন বর্ষা মৌসুমে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।
ভূমিকম্প ও বর্ষণের সম্মুখীন হওয়া
রাঙামাটি ত প এর অবস্থা এতটাই খুশি যে জনগণ অনেক সময় পর হারানো প্রাণ সম্পর্কে মনে করেন না এটি পুনরায় ঘটতে পারে। কিন্তু বিপর্যয়ের পর নির্মাণ করা গৃহ বা মন্দিরগুলি এখনও খুব দুর্বল। অনেক বাসিন্দা পরিবার ও সম্পত্তি বরাবর আসন্ন বর্ষ
