Uncategorized

ঝরঝর বৃষ্টির পরে প্রাণবন্ধের গান

ঝরঝর বৃষ্টির পরে প্রাণবন্ধের গান সংগীতের অনুষ্ঠানের স্মৃতি উপস্থাপন ঝরঝর ব ষ ট র পর প - যেদিন সন্ধ্যার সময় ঝরঝর বৃষ্টি ঝরায় আকাশ গৃহীত হয়েছিল কাটা ভাব

Desk Uncategorized
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঝরঝর বৃষ্টির পরে প্রাণবন্ধের গান

সংগীতের অনুষ্ঠানের স্মৃতি উপস্থাপন

ঝরঝর ব ষ ট র পর প – যেদিন সন্ধ্যার সময় ঝরঝর বৃষ্টি ঝরায় আকাশ গৃহীত হয়েছিল কাটা ভাব ছাড়া। বৃষ্টির সুরের রেশ কাটতে না কাটতে যেন এর সঙ্গে মিলে গেল প্রেম আর পরমের সাধনার সুরের ধারা। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আলোকি কনভেনশন সেন্টার মিলনায়তনে বিশ্ব সংগীত দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছিল সংকলনের শীর্ষক ‘প্রাণবন্ধের সনে’ শীর্ষকের সংগীতানুষ্ঠান। এ আয়োজনটি এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড ‘মায়া’ কর্তৃক যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছিল।

আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল হাসন রাজার কালজয়ী গানের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তার স্মৃতি তুলে ধরা।

শিল্পী শায়ান চৌধুরী অর্ণব এ অনুষ্ঠানের সংগীত নির্বাচন, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছিলেন। তিনি বলেন, সংগীতের এই জগতে নতুন দিকে বিস্মৃত হওয়ার পরিবর্তে নতুন সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবসায়ী অঞ্জন চৌধুরীকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি বলেন, লোকসংগীতের সুর ও বাণী আমাদের সংগীত ভুবনে কালজয়ী ছাপ ছুটিয়েছে। স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ সংস্কৃতি ও সৃজনশীল চর্চার প্রতি ব্র্যান্ড মায়ার নতুন আঙ্গিক জন্ম দেওয়া হয়েছে।

সংগীত প্রদর্শনার বিশেষ রূপ

সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর গানের পালা শুরু হয়। মঞ্চ সাজানো হয়েছিল বটবৃক্ষের ডিজিটাল কাটআউট দিয়ে একটি বিরাট আকারের উপস্থাপনা। নেপথ্যে মঞ্চজুড়ে ডিজিটাল পর্দা প্রদর্শিত হয়। সেখানে গানগুলো সঙ্গে মিলিয়ে সিলেট অঞ্চলের সজল প্রকৃতি ও হাওরের হিজল-করচের নিবিড় সবুজ সমাবেশ ভেসে উঠেছে।

অনুষ্ঠানে শায়ান চৌধুরী অর্ণব তাঁর গানগুলো সাজানো হয়েছিল একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। তিনি শুরুতে গেয়েছেন ‘হাসন রাজা কয় আমি কিছু নয় রে আমি কিছু নয়/ অন্তরে বাহিরে দেখি কেবল দয়াময়’ গান। পরে কানাই তুমি খেল খেলাও কেমন/ রঙের রঙ্গিলা কানাই গান উপস্থাপন করেন। পরবর্তী গানটি ছিল ‘পিরিতে কইরাছে দেওয়ান’ বলে কানিজ খন্দকার মিতু গেয়েছেন।

পরিবেশ মুখরিত হয়েছিল বগা তালে উদার সুরে ‘থাকতে চাই ঠাকুরের কাছে/ ঠাকুর আমায় পুছে না’ গান। পরের গানে তিনি পরিবেশ বদলে দিলেন ‘মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়ারে’ গান। হামিদা বানু অপ্রচলিত দুটি গানে শ্রোতাদের ভাসিয়েছেন—‘হাসন রাজ

Leave a Comment