ক স টগ র ড স ট মামলায় নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী ও মা-বোনসহ তিন শতাধিক আসামি
ক স টগ র ড স ট ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বাগেরহাটের মোংলায় সুন্দরবনের সন্নিহিত কোস্টগার্ড হারবাড়িয়া স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ মামলায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, দাঙ্গা ও হাঙ্গামার অভিযোগে কোস্টগার্ডের পক্ষে নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুন, বোন লিজা ইসলাম ও মা তাসলিমা বেগমকে আসামি করা হয়েছে।
হামলার পরিস্থিতি ও আসামি নির্ধারণ
বৃহস্পতিবার রাতে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের হারবাড়িয়া স্টেশনে হামলার ঘটনার কারণে ছয়জনকে আটক করা হয়। তিন জন আসামি নির্ধারণ করা হয়, যাদের মধ্যে মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুন এবং স্ত্রী ও মা-বোন অন্তর্ভুক্ত। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয় শুক্রবার বিকেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন যে, কোস্টগার্ড গত ১০ এপ্রিল নিখোঁজ মিরাজকে জয়মনির ঠোঁটা থেকে তুলে নিয়েছিল। তার পরিবার ও গ্রামবাসীদের অভিযোগ মতে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হামলার ঘটনার সময় সরকারি সম্পত্তি বিভিন্ন উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুনকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মিরাজের বোন লিজা ইসলাম ও মা তাসলিমা বেগমকে যথাক্রমে ২ ও ৩ নম্বর আসামি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ মামলায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দাবি করা হচ্ছে যে তারা ধারালো দা, ছুরি, কিরিচ ও লোহার রড ব্যবহার করে কোস্টগার্ড সদস্যদের ভয় দেখায়।
হামলার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আন্দোলন শুরু হয়। এতে কোস্টগার্ড স্টেশনের পন্টুনের জানালার কাচ, চেয়ার, ফ্যান ও লাইট বিভিন্ন উপায়ে ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক স টগ র ড স ট হামলার পরিস্থিতি গুরুতর হয়েছে এবং এর ফলে তিন শতাধিক আসামি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলার ঘটনার ফলে আরবি-১০০১ বোট, সোলার প্যানেল, বড় ব্যাটারি ও প্লাস্টিকের টেবিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্যাসের চুলা ও লাইট সহ বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ মামলার আসামি হিসেবে নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুন এবং তার স্ত্রী ও মা-বোন সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলার কারণ খুঁজে বার করার জন্য তদন্বয় চলছে।
