কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩০ বছর: স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান
রাজধানীতে আলোচনা সভার আহ্বান দেওয়া হয়েছে
কল পন চ কম অপহরণ র ব – ৩০ বছর পেরে গেছে কল্পনা চাকমার অপহরণের ঘটনা। এই ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন কল্পনা চাকমা, কিন্তু তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পার্বত্য চট্টগ্রামে কর্মরত সদস্যদের দ্বারা অপহরণ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যার পর তাঁকে বার্ষিকীতে পুনরালোচনা করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে হিল উইমেন্স ফেডারেশন আয়োজন করে আলোচনা সভা। এই আয়োজনের মূল শিরোনাম ছিল, “আদিবাসীসহ সকল নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করুন”।
“অপহরণের পর কল্পনা চাকমা আমাদের মানসিক ভিত্তিতে প্রতিশ্রুতি পূরণে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহা তানজিম বলেন, সর্বস্তরের ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
“তার অন্তর্ধানের বার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি শান্তিদেবী তঞ্চঙ্গ্যা। তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী করে নারীদের ওপর নির্যাতন বৃদ্ধির ঘটনা ঘটছে।”
হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক কল্পনা চাকমা এখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করার দাবি জানান। তাঁর পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চন্দ্রিকা চাকমা।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সহসাধারণ সম্পাদক গজেন্দ্রনাথ মাহাতো বলেন, “পাহাড় ও সমতলে নারীদের ওপর হওয়া অত্যাচার রোধে প্রতিবাদী সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।”
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং পরিচালক জনা গোস্বামী উল্লেখ করেন, পাহাড়ি আদিবাসীদের অধিকার ও অন্যায়ে সোচ্চার হয়েছে বলে অভিযোগ হয়েছে, তখনই তাদের ওপর নির্যাতনের ঝড় নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী ত্রিপুরা বলে
