Uncategorized

উত্তর প্রদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘ধর্মান্তরবিরোধী’ সেল গঠন হচ্ছে, কাকে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ

উত্তর প্রদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধর্মান্তরবিরোধী সেল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে উত তর প রদ শ র উচ - উত্তর প্রদেশ রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল গৃহীত

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

উত্তর প্রদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধর্মান্তরবিরোধী সেল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে

উত তর প রদ শ র উচ – উত্তর প্রদেশ রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল গৃহীত নির্দেশের মাধ্যমে রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল এবং ডেন্টাল কলেজসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মান্তরবিরোধী সেল গঠনের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়েছে। এ নির্দেশ প্রাপ্ত হওয়ার পর একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোর উপাচার্য এবং পরিচালকদের কাছে। এতে ছাত্রদের প্রতিরোধমূলক সুরক্ষার জন্য কাউন্সেলিং সেবা, নজরদারি ব্যবস্থা, ছাত্রকল্যাণ পদ্ধতি এবং তথ্য প্রকাশের প্রোটোকল উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি কীভাবে প্রভাবিত হয়েছে?

নৈতিক মূল্যবোধ এবং আইনি অধিকার নিয়ে বক্তৃতা ও সেমিনার আয়োজনের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাক্ষাৎকার দেওয়া হয়েছে। সেলগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ধর্মান্তর করার চেষ্টার প্রতিরোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি যদি ধর্মান্তর করার প্রতিবেদন দিয়ে প্রভাবিত হয়, তবে তা সামনে আসার পর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক নির্দেশে বিষয়টি তদন্ত করবে।

রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য ও পরিচালকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রলোভন বা মানসিক চাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার বিষয়ে ঘন ঘন প্রতিবেদন পাওয়া যাচ্ছে।’

আইনের অপব্যবহারের আরও প্রমাণ

নিজেদের ধর্মান্তর করার জন্য বিনা মূল্যে ক্লিনিক, বৃত্তি বা সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রার্থনাসভা আয়োজন করলে সেগুলো নজরদারির আওতায় আসবে। সংখ্যালঘুদের হয়রানি করার জন্য ধর্মান্তরবিরোধী আইন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো কম সাজার হার কারণে সহিংসতা বাড়ছে।

আইনগুলো ধর্মান্তর রোধের জন্য নয়, বরং সংখ্যালঘুদের ভয় দেখানোর একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে রাজনৈতিক প্রস্তাব

এই পদক্ষেপ প্রমাণ দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। উপাচার্যদের কাছে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপে লিপ্ত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে সত্য সম্পর্কে জানানো উচিত। চলতি বছরের এপ্রিলে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ নিষেধাজ্ঞা আইন বলে পরিচিত আইনটি প্রতিবেদন দায়েরের বিষয়টি উদ্বেগজনক প্রবণতা হিসেবে বিশেষজ্ঞদের নিন্দা করা হয়েছিল। এ ধরনের মামলার বিষয়ে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয

Leave a Comment