পিরিয়ড বন্ধ রাখতে ওষুধ খাওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?
প র য়ড বন ধ র খত – সাময়িকভাবে মাসিকের তারিখ বিশেষ পরিকল্পনা সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে অনেকে ওষুধ সেবন করেন পিরিয়ড বন্ধ রাখার জন্য। তবে এ ধরনের ওষুধ সবার জন্য সমানভাবে সুরক্ষিত নয়। যেমন বিশেষ উৎসব, ভ্রমণ বা পরিবারের গুরুতর আয়োজন হলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে এ কাজ করা হয়। আরও কিছু পরিস্থিতিতে যেমন অতিরিক্ত মাসিক বা এন্ডোমেট্রিওসিস হচ্ছে এমন সময় ওষুধ ব্যবহার করে পিরিয়ড সময় পরিবর্তন করা হয়।
এ ধরনের ওষুধ হরমোন সংবলিত যোগ্য ওষুধ। রক্তে হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে পিরিয়ডের সময় পিছিয়ে দেয়া বা কিছুদিনের জন্য মাসিক বন্ধ করার সুবিধা দেয়। অনেকে ওষুধ চলাকালীন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে উদ্বেগ বোধ করেন।
সাময়িক ব্যবহারের বিকল্প
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পিরিয়ড বন্ধ রাখার জন্য বিরতিহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করা হয়। এ ধরনের বড়ি খাওয়ার সময় বিশেষ বড়ি সহ প্রতিক্রিয়া হয় না। তবে প্রয়োজন হলে কয়েক দিন সাময়িকভাবে মাসিক বন্ধ করা সম্ভব।
তারিখের ৩ থেকে ৪ দিন আগে থেকে প্রজেস্টিন অনলি পিল বা নোর এথিস্টেরন জাতীয় ওষুধ সেবনের মাধ্যমে মাসিক সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেয়া যায়। ওই ওষুধ বন্ধ করার পর আবার স্বাভাবিক পিরিয়ড শুরু হয়।
দীর্ঘ সময়ের বিকল্প
বিশেষ ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা আরও দীর্ঘ সময়ে পিরিয়ড বন্ধ রাখা সম্ভব। জরায়ুর ভেতর হরমোনযুক্ত ইন্ট্রা ইউটেরাইন ডিভাইস বা মাংসপেশিতে মেড্রোক্সিপ্রজেস্টেরন ডিপো ইনজেকশন এ জন্য প্রয়োজনীয়।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওষুধের সাময়িক ব্যবহারে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবে যাঁদের হৃদরোগ বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকলে ওষুধ সেবনে ঝুঁকি থাকতে পারে। অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন ডায়াবেটিস, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা বা ধূমপানের অভ্যাস আছে বলে জানা ছাড়া ওষুধ খাওয়া অপরিহার্য হতে পারে।
পিরিয়ড বন্ধ রাখার পর মাসিকে রক্তপাত বেশি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ চলাকালীন ব্রেক থ্রু �
