Uncategorized

খলিসাকুড়ি নদী লিজ হলো কীভাবে

খলিসাকুড়ি নদী কী করে সরকারি কাজে আসলো খল স ক ড় নদ ল জ - খলিসাকুড়ি নদী হলো ধরলা নদীর একটি আন্তশাখা নদী। এটি সদর উপজেলার বাংটুর ঘাটে উৎপন্ন হয়েছে এবং সদর

Desk Uncategorized
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

খলিসাকুড়ি নদী কী করে সরকারি কাজে আসলো

খল স ক ড় নদ ল জ – খলিসাকুড়ি নদী হলো ধরলা নদীর একটি আন্তশাখা নদী। এটি সদর উপজেলার বাংটুর ঘাটে উৎপন্ন হয়েছে এবং সদর উপজেলার মোগবাসায় সাতকুড়ার পাড়ে ধরলার প্রবাহে মিলিত হয়েছে। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩ কিলোমিটার। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নদী তালিকায় এটি পঞ্চম নদী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সমাজে নদীটির বিভিন্ন নাম পরিচিত। তালিকায় দেখা যায় নয়া নদী, হাজির নদী, দয়ারকুড়া, ষাণের ঘাট, শিয়ালডুবি, গর্ভের দোলা ইত্যাদি নাম।

খলিসাকুড়ি নদী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য বেশ কিছু সার্চ করতে হয়েছিল। নামগুলি সবটা একটি নদীর ধারণা সৃষ্টি করেছিল। নদী ভেতরে থাকা স্থাপনার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের তালিকার বিষয়ে বিশেষ করে তা নিশ্চিত করতে নদী পাড়ে পাড়ে ঘুরতে হয়েছিল। আর স্পষ্ট ধারণা পেয়া গেছে যে এ নদীর উৎসস্থল থেকে পতিতস্থল পর্যন্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় কাঁঠালবাড়ি নামক স্থানে। সেখানে কুড়িগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের ডিগ্রি কলেজের পাশে একটি সেতু রয়েছে। সেতুর ওপর থেকে উত্তরে তাকালে দেখা যায় নদীর দুই তীর থেকে ভরাট করে মাঝে একটি ছোট জায়গা ফাঁকা রয়েছে। ওই অংশে বাঁশের ঘন গাঁথুনিতে বেড়া দেওয়া হয়েছে।

মজাপুকুর লিজের তথ্য কী ছিল নদীর কথায়

গত ঈদের ছুটিতে খলিসাকুড়ি নদীতে যাওয়ার পর দেখা গেল প্রায় তিন শ মিটারের ব্যবধানে দুটি বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। বাঁধ দেওয়া অংশে কয়েকজন বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা বলেন, এ অংশটি মজাপুকুর নামে সরকার লিজ দিয়েছে। কারা লিজ দিয়েছে তা জানতে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত পৌঁছতে হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদ নিজের সদস্যদের মাধ্যমে লিজ দিয়েছে বলে জানানো হয়।

‘মজাপুকুর’ নামক অংশ লিজ দেওয়া হয়েছিল কিন্তু বিষয়টি নিশ্চিত করতে বেশ কিছু স্থানে যাওয়া হয়েছিল। এসকেন আলী ব্যাপারীর কাছে জানা যায়, ধরলা নদী থেকে নদীটি এসেছে সেই স্থানে উৎসমুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর কয়েক বছর ধরলা থেকে পানি তুলে নদীতে দেওয়া হতো। কয়েক বছর পর পানি দেওয়া বন্ধ হয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নাকি এ কাজ করেছে।

খলিসাকুড়ি নদীটি এখন দখল হচ্ছে অবৈধ ভাবে। নদীর ওপর বাঁধ দেওয়া হচ্ছে, পানি প্রবাহ বন্ধ করা হচ্ছে। এগুলো যাঁদের দেখভাল করার দায়িত্ব তাঁদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। নদীগুলোকে রক্ষা করার জন্�

Leave a Comment