বাজেটে কর ছাড় ও আওতা বৃদ্ধির উদ্যোগ
ক থ য় করছ ড় থ কব – আগামী অর্থবছরের বাজেটে কর ছাড় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে কর আওতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৃজনশীল অর্থনীতি সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের শুল্ক-করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। করের জাল সম্প্রসারণে এবার নজর বেশি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর।
বাজেটে কর ছাড় দিয়ে করের আওতা বৃদ্ধি করার জন্য আওতা বাড়ানো হবে। আবার করদাতা ও উদ্যোক্তাদের ওপর কর বসিয়ে কিংবা করজালের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। যেমন ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকতে হবে, খুচরা বিক্রেতাদের মালামাল কেনার সময় উৎসে কর বসানো হতে পারে। এতে সাধারণ করদাতা ও ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর করের চাপ বাড়বে।
রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বাড়ানোর উদ্দেশ্য
আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৩০ শতাংশের মতো বাড়ানোর কথা হচ্ছে। এই বাড়তি রাজস্ব আদায়ে যেন বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ না দেওয়া হয়। করজাল বাড়ানোর শক্ত উদ্যোগ নিতে হবে। ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর উদ্যোগ থাকছে বাজেটে। করমুক্ত আয়সীমা প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাড়ছে।
“সরকার এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি বানাতে চায়, এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করতে চায়। এ জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যে যেসব ছাড়ের কথা শোনা যাচ্ছ
