শিল্পায়নে গতি আনতে পদক্ষেপ নিন
শ ল প য়ন গত আনত পদক – প্রকৃতির ভারী সম্পদ সামনে রয়েছে, কিন্তু সেগুলো ব্যবহারে গুরুতর বাধা দেখা দিয়েছে। ভোলা জেলা গ্যাসের প্রাচুর্য নিয়ে একটি অদ্ভুত সমস্যায় পড়েছে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্তকরণ, উৎপাদন ক্ষমতা ও শিল্পায়নের জন্য সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন সরকারের দিক থেকে এই অঞ্চলে আলোচিত নানা পরিকল্পনা সত্ত্বেও এই স্থবিরতা কাটছে না।
বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার গ্যাসক্ষেত্রগুলোর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১২২ মিলিয়ন ঘনফুট, কিন্তু স্থানীয় চাহিদা মাত্র ৭০ থেকে ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এই উদ্বৃত্ত গ্যাসের সঠিক ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি নির্ধারণে নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘদিনের উদাসীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতা স্পষ্ট। কয়েক বছর আগে ট্রাকে করে সিএনজিতে গ্যাস ঢাকার শিল্পাঞ্চলে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল, কিন্তু তা ব্যয়বহুল ও সাময়িক উপশমমাত্র।
বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকটে ভোলার গ্যাস মজুতের প্রতি বারবার গুরুত্ব আরোপ করে আসছেন। ফলে এখানে শিল্পায়ন হলে দেশি-বিদেশি বড় বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবেন এবং পুরো দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা পরিবর্তিত হবে। ভোলার গ্যাস নিয়ে চারটি পরিকল্পনা করেছিল সরকারগুলো, যার মধ্যে আছে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নেওয়া, সিএনজিতে রূপান্তরিত করে জেলার বাইরে পাঠানো, এলএনজি করে বাইরে নেওয়া ও ভোলাতেই ইপিজেড, সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়ে গ্যাস ব্যবহার করার উদ্যোগ।
এখন পর্যন্ত এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।
দেশের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন যে, ভোলার গ্যাসের সবচেয়ে যৌক্তিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার হতে পারে ভোলাতেই বড় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহন অত্যন্ত সহজ।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক বৈষম্য ও বঞ্চনা থেকে তৈরি ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রতিটি ঘরে গ্যাস-সংযোগ, প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহ পাঁচ দফা দাবি করছেন। তবে বিসিকে প্লট থাকা সত্ত্বেও গ্যাস অনুমোদন জটিলতায় নতুন শিল্প স্থাপনের গতি থমকে আছে। উদ্যোক্তাদের কয়েক মাস ধরে দাপ্তরিক টেবিলে ঘুরতে হ
