লালনের মাজার এলাকা মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ আছে কি, সংসদে প্রশ্ন আমির হামজার
মাজার এলাকায় মাদক বিস্তার ও অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড
ল লন র ম জ র এল – লালনের মাজার এলাকায় মাদক বিস্তার এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো পরিকল্পনা আছে কি সংসদে জানানো হয়েছে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার। তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে লালনের মাজার এলাকার অবস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে দুই থেকে ছয় দিন পর্যন্ত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও অপচূড়ান্ত কর্মকাণ্ড চলছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, সংস্কৃতির নামে কুষ্টিয়ার লালন শাহর স্মৃতিবিজড়িত এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কি।
আমির হামজার বলেন, লালনের মাজার এলাকার অবস্থা গুরুতর হয়ে আসছে। সেখানে যে মাদক বিস্তার চলছে, তা শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রক্রিয়াগুলোর মাঝে অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি সংসদে আরও জানান, সারা দেশে লালনের মাজার এলাকার মতো জায়গা কয়েকটি রয়েছে, যেখানে মাদকের বিস্তার তীব্র হয়ে আসছে। তারা কেবল সামাজিক অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে না, বরং সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করে বাংলাদেশের মাদক নির্মূলের লক্ষ্য পূরণে কোনো ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থা আছে কি তা জানানো হয়েছে।
সারা দেশকে মাদকমুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। শুধু কুষ্টিয়ার লালন শাহর স্মৃতিবিজড়িত এলাকায় নয়, আমাদের সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা আছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশটি মাদকমুক্ত করতে চাই। এবং মাদকমুক্ত করার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।
সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্য এবং পরিকল্পনা বিশ্লেষণ
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, মাদক নির্মূলের জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে যুক্ত করে কাজ চালানো হচ্ছে। তিনি জানান, লালনের মাজার এলাকায় অপচূড়ান্ত কর্মকাণ্ড চলছে, কিন্তু সেটি শুধু একটি সমস্যা নয়, এটি সারা দেশের স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক চালানো সমস্যার প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, ‘মাদকমুক্ত হবে তখনই যখন কোনো সমাজে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়।’
মন্ত্রী আরও জানান, গত ১৮ বছর ধরে বাংলাদেশে ঘন অন্ধকার যুগ চলছিল। সেই সময়ে অনেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা লালনের মাজার এলাকার মতো জায়গা থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস প্রসারের মাধ্যমে অনৈতিকতার প্রতি কোনো কার্যক্রম না থাকার কারণে লালনের মাজার এলাকার অবস্থা এখনও আশংকাজনক।
তিনি বলেন, মাদক নির্মূলের জন্য সরকার
