Uncategorized

সাতক্ষীরার মোকামে হিমসাগর, ভিড় করছেন বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারেরা

সাতক্ষীরার মোকামে হিমসাগর, ভিড় করছেন বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারেরা হিমসাগর আম সংগ্রহের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু স তক ষ র র ম ক - সাতক্ষীরার হিমসাগর আম বাজারে

Desk Uncategorized
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সাতক্ষীরার মোকামে হিমসাগর, ভিড় করছেন বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারেরা

হিমসাগর আম সংগ্রহের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু

স তক ষ র র ম ক – সাতক্ষীরার হিমসাগর আম বাজারে উঠতে শুরু করেছে। সরকারি আম সংগ্রহ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ শুক্রবার জেলায় হিমসাগর আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সুলতানপুর বড় বাজারে প্রথম দিন থেকে হিমসাগর আম জমা দেওয়া শুরু হয়েছে, যেখানে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে আমভর্তি ক্রেটে দীর্ঘ সারি গঠিত হয়েছে। বাজারে ঢুকার জায়গা নেই বলে সকাল আটটার দিকে বিশাল সংখ্যক ক্রেতা জমা হয়েছে।

পাইকারদের সাথে স্থানীয় ক্রেতাদের ভিড়

সুলতানপুর বাজারে বেশির ভাগ পাইকার এবং স্থানীয় ক্রেতাদের ভিড় ছিল। কেউ পরিবারের জন্য, কেউ দূরের আত্মীয়ের কাছে হিমসাগর আম কিনছেন। গাজীপুর থেকে আসা পাইকার লুৎফর রহমান জানান, এই আমের স্বাদ ও রং ঢাকায় অত্যন্ত চাহিদা। তিনি বলেন, সব সময় হিমসাগর আম পাওয়া যায় ভালো মানে। এবার তাঁর বিশ্বাস, প্রথম দিনে বাজারে প্রচুর আম উঠেছে।

প্রতি মণ হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। কয়েক দিনের মধ্যে দাম কমতে পারে বলে ধারণা তাঁর।

পাইকারদের প্রতিক্রিয়া ও আম সংগ্রহ সময়সূচি

নাটোর থেকে আসা আবদুর রহমান মিয়া বলেন, তিনি বছর বছর সাতক্ষীরার আম কিনছেন। বিশেষ করে হিমসাগর আম নিয়ে এখানে আসেন। তিনি জানান, গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হয়। বরং হিমসাগর আমের চাহিদা সব সময়ই বেশি।

স্থানীয় ক্রেতা দিলীপ মণ্ডল বলেন, হিমসাগর আম উঠলেই বোঝা যায় গ্রীষ্মকাল আসে। এই আম অন্য জাতের মতো নয়, এর স্বাদ ও ঘ্রাণ আলাদা। তিনি জেলার বাইরের আত্মীয়ের জন্য আম আনছেন।

উৎপাদন ও রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে ৫ হাজার ২৯৯টি বাগানে ৪৫ হাজার ৭৫০ জন কৃষক আম চাষ করেছেন। চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৩৮ শতাংশ হিমসাগর আম।

আমের বিদেশে রপ্তানির বড় অংশ এই জাতের বলে জানা যায়। বর্তমান মৌসুমে ১০০ মেট্রিক টন রপ্তানি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হ

Leave a Comment