বজ্রপাত থেকে কৃষককে রক্ষায় উদাসীনতা কেন
বজ রপ ত থ ক ক ষকক – বজ্রপাত থেকে কৃষককে রক্ষায় উদাসীনতার সমালোচনা করা হয়েছে একটি সার্থিক ছাউনি আশাবাদী করে তোলার জন্য একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়নি। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই ঘোর সময়ে বজ্রপাত হল দেশের একটি বড় দুর্যোগ যা বছরে বছরে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্থ করে তুলেছে। গাইবান্ধা জেলাতে গত এক বছরে বজ্রপাতে প্রাণ হারানো হয়েছে স্থানীয় হিসাব অনুযায়ী ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে কৃষকদের তৈরি করা হয়েছে সার্থিক ছাউনি আশাবাদী করে তোলার জন্য। এই উদ্যোগ প্রতিবছর কৃষকদের জীবন বাচানোর সম্ভাবনা আছে বলে ভরসা করা হয়েছে।
পাইলট প্রকল্প হওয়ার পরও কোনও কৃষকের প্রাণ হারায়নি
২০২০ সালে এক কৃষি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিবরাম গ্রামে ফাঁকা মাঠে মাত্র ৩৮ হাজার টাকা খরচে একটি গোলঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল মাঠে কাজ করার সময় ঝড়-বৃষ্টি বা বজ্রপাতে কৃষকদের দ্রুত আশ্রয় নিতে সক্ষম করা। বিগত ছয় বছরে ওই নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও কৃষকের প্রাণ হারায়নি এই ছাউনির কারণে। এটি একটি প্রকল্প হলেও গাইবান্ধা জেলার মাটি পর্যন্ত এখনও বজ্রপাত থেকে রক্ষা পায়নি।
অর্থের অভাবে ছাউনি কাজ করছে না
তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, পাইলট প্রকল্প হওয়ার পরও গত ছয় বছরে জেলাজুড়ে এই ছাউনির সংখ্যা আর একটিও বাড়েনি। কৃষি বিভাগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বরাদ্দের অভাব নামক অজুহাত বারবার হাজির হয়েছে। স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের দ্বারা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল কৃষকদের জন্য ৫০টি ছাউনি নির্মাণের জন্য, কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেটি সম্পন্ন হয�
