জিলহজ মাসের ফজিলত ও আমল
জ লহজ ম স র ফজ লত – জিলহজ মাস হজের প্রধান সময় হিসাবে পরিচিত। এই মাসের ধারণা প্রসঙ্গত হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয় এবং এটি একটি বিশেষ মুক্তিমুখ বিবেচনা করা হয়।
বাক্যগুলি আল্লাহর আয়াত
আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হজ সম্পাদন সুবিদিত মাসসমূহে (শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ)। অতঃপর যে কেউ এই মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে (ইহরামের নিয়ত করে), তার জন্য স্ত্রী-সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহ-বিবাদ বিধেয় নয়। তোমরা উত্তম কাজ যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন। আর তোমরা পাথেয়র ব্যবস্থা করো; নিশ্চয়ই তাকওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে জ্ঞানী ব্যক্তিগণ, তোমরা আমাকে ভয় করো।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৯৭)
সুন্নত কাজ
হজের মাসের চাঁদ ওঠার আগে নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সুন্নত বিবেচনা করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যারা কোরবানি পালন করবেন, তাঁদের জন্য চুল ও নখ কাটা বন্ধ রাখা সুন্নত।’ (মুসলিম: ৫২৩৩; ইবনে মাজাহ, পৃষ্ঠা: ২২৭)
দিনগুলি এবং ইবাদত
জিলহজ মাসের নির্দিষ্ট দিনগুলিতে ইবাদতের কর্মসূচি বৃদ্ধি করা বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জিলহজের ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্যান্য দিনের ইবাদতের তুলনায় অধিক প্রিয়। প্রত্যেক দিনের রোজা এক বছরের রোজার সমতুল্য, আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের সমতুল্য।’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা: ১৫৮)
কোরবানি বিধান
জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবির বলা ওয়াজিব। পুরুষেরা উচ্চ স্বরে এবং মহিলারা নিম্ন স্বরে এই কাজ সম্পাদন করবেন। তাকবির হলো ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ (ইলাউস সুনান, খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা: ১৪৮)
জিলহজের প্রথম ১০ দিন সাধারণত কোরবানি করা বিধান করা হয়। এই সময়ে যে কোনো ব্যক্তির মালিকানায় নিত্যপ্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি সুন্নত প্�
