স্বাধীনতার প্রাপ্তির পর এখনও দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন হতে পারেনি
আম দ র ব চ রব যবস – নারায়ণগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত ত্বকীর মৃত্যুর ১৫৯ মাস উপলক্ষে আয়োজিত মোমশিখা প্রজ্জালন কর্মসূচিতে দেশের বিচারব্যবস্থাকে প্রধানমন্ত্রীনির্ভর বলে মন্তব্য করেন। এ কর্মসূচিতে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তন প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য
সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা, যার মধ্যে রয়েছে শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী, প্রদীপ ঘোষ (বাবু), জাহিদুল হক (দীপু), শিবনাথ চক্রবর্তী, সচিদ আবুনাইম খান (বিপ্লব), অঞ্জন দাস, হাফিজুর রহমান, মাহমুদ হোসেন, দুলাল সাহা ও কবি কাজল (কানন)। রফিউর রাব্বি বলেন, বিচারব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীনির্ভর।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন ত্বকী হত্যার বিচার সাড়ে ১১ বছর বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চেয়েছিলেন পল্লবীর শিশু ধর্ষণের পর হত্যার বিচার মাত্র ১৯ দিনে সম্পন্ন হয়েছিল। এটি কোনো স্বাধীন বিচারব্যবস্থা নয়, সরকারনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা।
ত্বকীর বাবা বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আমরা দেশে একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা তৈরি করতে পারিনি। কোনো সরকারই বিচার ব্যবস্থাকে কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার হাতিয়ার বানাতে চায়নি। নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে আলাদা করা না গেলে জনগণের লাভ হবে না।’
ত্বকী হত্যার বিচার দাবি ও ঘটনার তারিখ
২০১৩ সালের ৬ মার্চ নারায়ণগঞ্জের শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী নিখোঁজ হন। দুই দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গত বছরের ২৪ নভেম্বর কাজল হাওলাদার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দাখিল করেন।
২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাব সংবাদ সম্মেলনে তদন্তকারী সংস্থা ঘোষণা করে যে, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদের টর্চার সেলে ১১ জন মিলে ত্বকী হত্যা করা হয়েছিল। অচিরেই অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করবে বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু আজও অভিযোগপত্র দাখিল হয়নি।
রফিউর রাব্বি জানান, এ পর্যন্ত ত্বকী হত্যার মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়েনি। অভিযোগপত্রে হত্যার নির্দেশদাতা শামীম ওসমান, তাঁর ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান ও ক্যাডার শাহ নিজামসহ সবার নাম অবশ্যই থাকতে হবে।
আলোক প্রজ্জালন ও মাসের প্রতি ৮ তারিখে বিচার দাবি করে সাংস্কৃতিক জোট প্রতিদিন কর
