Uncategorized

পাহাড়ের কোলে, যেখানে ২০ জন একসঙ্গে

পাহাড়ের কোলে, যেখানে ২০ জন একসঙ্গে প হ ড র ক ল য - ঈদের ছুটিতে একটি পরিকল্পনা গুঞ্জন উঠল কোথাও গমনের কথা। কেউ কক্সবাজার আর কেউ সুন্দরবনে যাওয়ার স্বপ্ন

Desk Uncategorized
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাহাড়ের কোলে, যেখানে ২০ জন একসঙ্গে

প হ ড র ক ল য – ঈদের ছুটিতে একটি পরিকল্পনা গুঞ্জন উঠল কোথাও গমনের কথা। কেউ কক্সবাজার আর কেউ সুন্দরবনে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিল, কিন্তু এবার পরিবারের সম্পূর্ণ যাত্রা ছিল আলাদা। গন্তব্য হলো খাগড়াছড়ির বাবুছড়া— পাহাড়ি বাসার সৌন্দর্য বোনের বাসা। সেই সফরে আমরা ছিলাম মোট ২০ জন। পাহাড়ের গভীর ছায়ায় পরিবার একত্রিত হওয়া ছিল নির্বিঘ্ন ভাবে বাস নেওয়ার সুযোগ।

সফরের প্রথম দলটি ঈদুল আজহার রাত ১০টায় রওনা হয়েছিল— বাবার তিন মেয়ে আর এক ছেলে। সবাই জীবন বিস্মিত করে কৌতুক করছিল বাসে উঠে। রাতের অন্ধকারে বাস ছুটল ফেনীর দিকে, ঢাকা ছেড়ে এগিয়ে যাচ্ছিল চোখে রাত জেগে পরে। পরদিন রাতে এলো বড় কাফেলা। সেখানে বাবার নাম খন্দকার আহমেদুল হক, মা, বড় মেয়ে ফারজানা ও তার স্বামী, তাদের তিন সন্তান আর স্বামী ও স্ত্রী। যাতায়াতের সময় খাগড়াছড়িতে পৌঁছতে প্রায় ৮ থেকে ১০ ঘন্টা লাগে ঢাকা থেকে বাস দ্বারা। রাতের বাসে গেলে অপরাহ্নে পৌঁছানো যায় কোনো বাস পথে গেলে।

ফেনী পেরিয়ে খাগড়াছড়ি পর্বতের দিকে বাস এগোল। সমতল থেকে পাহাড়ে পরিবর্তন ছিল অনুভব করা যাচ্ছিল রাস্তার প্রতিটি ঘূর্ণনে। দুই পাশে উঁচু পাহাড় উঁকি দিচ্ছিল, দৃশ্য নতুন ছিল সম্পূর্ণ রূপান্তরের সূত্রে। ভোর হতে হতে খাগড়াছড়ির পথ ধরে বারৈয়ার হাট ছেড়ে চলে গেল। এখান থেকে পরিবারের বাসার অনুভূতি শুরু হয়েছিল জনপ্রিয় ক্ষেত্রে। ছোট ছোট ঝরনা পথে নেমে এলো পাহাড়ি জনপদ পাশে। বাচ্চারা ঘুম ভুলে জানালায় মুখ ঠেকিয়ে দিল। কেউ অবাক হয়ে বলল— “নানাভাই, পাহাড় এত বড়?”

ফারজাদ: নানাভাই, পাহাড় এত বড়?

সকালে খাগড়াছড়িতে পৌঁছানো হলো পরিবারের স্থান। গেটে দাঁড়িয়ে ছিল ফাহমিদা হক কনক আর শ্বশুর-শাশুড়ি। তাদের হাতে ঠান্ডা শরবত পেলাম রাতে অপেক্ষার ক্লান্তি। এই মুহূর্তে দীর্ঘ পথের ক্লান্তি অনুভব হলো আবার উড়ে গেল। পাহাড়ি বাসার জায়গা প্রতিটি ক্ষেত্রে সেই মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করছিল। সকালে ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে, জানালা খুললে চোখে পড়ে সবুজ ঢাল। রাতে নিঃশব্দতা গভীর হয়ে ছিল যেন ঝিঁঝির ডাকও স্পষ্ট শোনা যায়। পাহাড়ি বাসার অনুভূতি ছিল সম্পূর্ণ নতুন— ফলের গাছ আছে, সময় আছে, তা�

Leave a Comment