পৃথক মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানার জামিন স্থগিত
প থক ম মল য় স ব – পৃথক মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ এবং ফারজানা রুপা তাঁদের জামিন বাতিল করা হয়েছে। হাইকোর্টের আদেশে দুই বিভিন্ন মামলায় তাঁদের আসামি হিসেবে আবেদন স্থগিত করা হয়েছে। বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার এই প্রক্রিয়া ঘোষণা করেন।
মামলার সম্পূর্ণ স্থিতি ও আবেদন
পৃথক মামলায় শাকিল আহমেদ ছয়টি মামলায় জামিনের আবেদন করেন, যেখানে ফারজানা রুপা সাতটি মামলায় আবেদন করেন। এগুলির মধ্যে ছয়টি মামলায় তাঁদের উভয়েই আসামি হিসেবে জড়িত ছিলেন। হাইকোর্টের পূর্বে শাকিলকে পাঁচটি মামলায় এবং ফারজানাকে ছয়টি মামলায় অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক ১০টি আবেদন করে। এগুলি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে পরিচালিত হয়।
আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুসারে শাকিল ও ফারজানার জামিন স্থগিত করা হয়। পৃথক মামলার উপর নির্ভর করে তাঁদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। বিচারপতি মো. রেজাউল হক আদেশে তুলে ধরেন যে জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলি বৈধ হতে পারে। কারাগারে তাঁদের জেল বাসা দেওয়া হয়েছে।
পৃথক মামলায় শাকিল ও ফারজানার জামিন স্থগিত হওয়ার পর তাঁদের আসামি হিসেবে তদন্ত চলছে। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুসারে তাঁদের হত্যার অভিযোগ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত ঘটনার মামলার বিষয়ে বিচারপতি মো. রেজাউল হক আদেশ দেন। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তাঁদের জামিন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বর্তমানে শাকিল ও ফারজানা গ্রেপ্তারের পর কারাগারে অবস্থান করছেন। তাঁদের দুই বিভিন্ন মামলায় আসামি হিসেবে জড়িত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুসারে তাঁদের অবস্থা জামিনের বিরুদ্ধে উঠেছে। পৃথক মামলার আবেদন পরিচালনা করে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আদেশ দেন।
তাঁদের গ্রেপ্তার এবং আসামি হিসেবে জড়িত ঘটনা
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শাকিল ও ফারজানা দুই বিভিন্ন মামলায় তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২১ আগস্ট তাঁদের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনার পর তাঁদের জামিনের সংক্রান্ত আবেদন উঠেছে। পৃথক মামলায় তাঁদের সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত ঘটনার প্রতি বিচারপতি তাঁদের জামিন স্থগিত করেন।
সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানার জামিন স্থগিত করা হয়েছে কারণ তাঁদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সময়ে একজনের মৃত্যু ঘটেছিল। পৃথক মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং কয়েক দফায় তাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁদের জেলে বসবাস চলছে।
