সমুদ্রপৃষ্ঠ এক মিটার উঁচু হলেই বহু জেলা তলাবে; তার পরও বসে থাকবে বাংলাদেশ!
সম দ রপ ষ ঠ এক ম – পরিবেশ বিপর্যয়ের মূল চিত্র দেখা যাক। ৪৩২ পার্টস পার মিলিয়ন (পিপিএম) কার্বন ডাই-অক্সাইড ঘনত্ব বৈশ্বিক বায়ুমণ্ডলে গৃহীত পরিবর্তনের মাপকাঠি হিসেবে কাজ করে। এই ঘনত্ব বিপর্যয়ের সমাপ্তি নয়, বরং শিল্পবিপ্লবের আগে এর প্রায় ২৮০ পিপিএম ছিল। আড়াই শতাব্দীতে আমরা বায়ুমণ্ডল পরিবর্তনে কী পরিমাণ ক্ষতি করেছি, তা ইতিহাসে অনেক বছরের মধ্যে ঘটেনি।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সতর্কবার্তা
২০২৬ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘রেস্টর দ্য আর্থ, সিকিউর দ্য ফিউচার’— পৃথিবীকে পুনরুদ্ধার করো, ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করো। এই বাক্যগুলো প্রাচুর্য প্রকাশ করে বলে মনে হয়। কিন্তু সত্য হলো আমরা কী ক্ষতি করেছি তা মেনে নিতে হবে।
বাংলাদেশ এই অসাম্যের সবচেয়ে বড় শিকার। সামগ্রিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বৈশ্বিক চিত্র দেখা গেছে যে বিশ্বের মোট নিঃসরণের কেবল ৪৩ শতাংশ আসে বাংলাদেশ থেকে। বিশ্ব গড়ের তুলনায় এখানে মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস সম্পর্কে প্রায় ১ দশমিক ৪ টন আসে।
অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপন্ন হয় বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠে এক মিটার উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যেতে পারে। উপকূলীয় কয়েক কোটি মানুষ এই ধরনের প্রশ্নের উপর নির্ভর করছেন।
দক্ষিণ এশিয়া: অসাম্যের শিকার
দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনের সামান্য কার্বন নিঃসরণ করেছে যারা অসাম্যের সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন। ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে তাপপ্রবাহে কৃষকের মৃত্যুর খবর আর বিরল ঘটনা নয়। এটি একটি নতুন স্বাভাবিকতা।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও সিন্ধুতে তাপমাত্রা ৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে যা স্বাভাবিক দুর্ভোগের চেয়ে আরও ভয়াবহ। নেপালের হিমালয় হিমবাহ বেশি দ্রুত গলছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, আগামী ৫০ বছরে নদীগুলো প্রথম বন্যার পর খরায় বিপর্যস্ত হবে।
বাংলাদেশের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ে আলোচনা বারবার সংখ্যায় ডুবে যায়। কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়াও মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মিথেনের তাপ ধারণক্ষমতা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ২০ বছরে প্রায় ৮০ গুণ বেশি।
গবেষণায় দেখা গেছে বৈশ্বিক কৃষি মিথেনের প্রায় ৩০ শতাংশ ধানখেত থেকে আসে। বাংলাদেশে কৃষি খাত হতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের একটি বড় অংশ আসে। যদিও ব্লুমবার্গ বাংলাদেশকে বিশ্বের ১২তম মিথেন নির্গম
