কুমিল্লার নুরুলের ভগ্নিপতির চিকিৎসার জন্য ভারতে যাত্রা আগুনে শেষ হয়েছে
ভগ ন পত র চ ক ৎস – কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাঙ্গীশ্বর গ্রামে বাসিন্দা নুরুল আমিন (৪৪) এবং তাঁর ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন (৪৮) একটি মূল্যবান কিডনি পরিবারের অংশ ছিলেন। কিডনি সমস্যার কারণে তাঁদের পরিবার ঢাকা থেকে ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছিল। কিন্তু দিল্লির মালভিয়া নগরে একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে তাঁদের গুরুতর আহত হওয়ায় ঘটনাটি গুরুতর হয়ে ওঠে।
হোটেলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর কুমিল্লার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করা হয়
মালভিয়া নগরের হোটেল সমূহে অবস্থান করছিলেন নুরুল আমিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। গত বুধবার সকালে নাশতার জন্য নুরুল হোটেলের নিচতলায় রেস্তোরাঁতে গিয়েছিলেন। তখন তাঁর ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন এবং অন্যান্য অতিথিদের পাশাপাশি কক্ষে ছিলেন। হঠাৎ করে আগুন লাগে এবং অপ্রতিহত আগুনে কার্যত এ ভবনে অবস্থান করা সবাই ধ্বংস হয়ে যায়।
সাড়ে আটটার দিকে আগুন লাগার পর দুর্ঘটনার সূচনা হয়। এ আগুন বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নুরুল আমিন, তাঁর ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন, বোন রেহানা আক্তার এবং অন্যান্য আহতদের উদ্ধার করা হয়। ভারতের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিচতলায় রেস্তোরাঁ এবং ওপরের তলাগুলোতে হোটেল ছিল।
অগ্নিকাণ্ডের পর ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন ও নুরুল আমিন উভয়েই গুরুতর আহত হন। স্থানীয় আহতদের পরিচর্যার জন্য হাসপাতালে প্রবেশ করার পর পর নুরুল আমিনের মৃত্যু ঘটে। এ দুঃখের সৃষ্টি হয় তাঁর পরিবারে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ওই আহত বাংলাদেশি দুটি পরিবার দিল্লিতে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত ছিল। আগুনে তাঁদের নিকট হতে কুমিল্লার নুরুল আমিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা করা হবে। সমস্যাগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যক্তিদের স্থানীয় চিকিৎসার জন্য তদ্রুপ প্রস্তুতি চলছে।
হোটেলটি স্থানীয় নামে �
