Uncategorized

জন্ম এক দেশে, গায়ে অন্য দেশের জার্সি— বিশ্বকাপে ২৮৯ ‘ভিনদেশি’

জন্ম এক দেশে, গায়ে অন্য দেশের জার্সি— বিশ্বকাপে ২৮৯ ‘ভিনদেশি’ জন ম এক দ শ গ য় - বিশ্বকাপের প্রতিয়োগিতায় অংশ গ্রহণকারী খেলোয়াড়দের অনেকে আফ্রিকার দেশগুলোতে

Desk Uncategorized
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জন্ম এক দেশে, গায়ে অন্য দেশের জার্সি— বিশ্বকাপে ২৮৯ ‘ভিনদেশি’

জন ম এক দ শ গ য় – বিশ্বকাপের প্রতিয়োগিতায় অংশ গ্রহণকারী খেলোয়াড়দের অনেকে আফ্রিকার দেশগুলোতে খেলছেন। এই আসরে মোট ৪৮ দলের ১,২৪৮ জন খেলোয়াড় অংশ গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে অনেকে আসল জন্মভূমি হয়ে খেলবেন না। এই ঘটনার ফলে বিশ্বকাপ খেলোয়াড়দের সংখ্যা অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন নরওয়ের মূল তারকা আর্লিং হলান্ডে জন্মগ্রহণ করেছেন, মরক্কোর আশরাফ হাকিমির স্পেনে এবং আর্জেন্টিনার জুলিয়ানো সিমিওনে বা নিকো পাসের জন্ম স্থান আর্জেন্টিনায় নয়। আফ্রিকার দেশগুলো থেকে শুরু করে অনেক দেশের খেলোয়াড় বিশ্বকাপে বিশেষ করে তাদের জন্মভূমি হয়ে খেলছেন না। এই প্রবণতা ক্রোনোলজিক কারণে চলছে।

বিশ্বকাপ জার্সি সম্পর্কে তথ্য

আফ্রিকার দেশগুলো থেকে শুরু করে মোট ২৮৯ জন খেলোয়াড় অন্য দেশের জার্সি পরে বিশ্বকাপে খেলছেন। এগুলো দেখায় যে খেলোয়াড়দের প্রাথমিক জন্মভূমি এবং বর্তমান দল একটি স্বাদের উপর ভিন্ন। নিকো পাজের জন্ম স্পেনে হয়েছিল কিন্তু তাঁর বাবা ইউরোপে খেলতেন। আর্জেন্টিনার জুলিয়ানো সিমিওনের বাবা ইতালিয়ান ক্লাব লাৎসিওতে খেলতেন। এই ধরনের খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপ প্রতিয়োগিতায় স্বাগত জন্ম দিয়েছে। তাঁদের সংখ্যা বিশ্বকাপ জার্সি সম্পর্কে স্থায়ী প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু ক্রোনোলজিক কারণে অনেকে আফ্রিকার দেশগুলো হতে জন্ম গ্রহণ করেন। নিকো পাজের বাবা স্পেনে খেলতেন কিন্তু তাঁর কন্যা কুরাসাও দলে খেলছেন। তার মধ্যে অনেকে আসল জন্মভূমি হয়ে খেলবেন না। সাইকেলে এই প্রবণতা অনেকটা বিশ্বকাপে আসলে পরিচিতি অর্জন করেছে।

বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণকারী খেলোয়াড়দের অনেকে তাঁদের পরিবারের ইতিহাস বহন করে। যেমন কুরাসাওর দলে সবাই নেদারল্যান্ডসে জন্মগ্রহণ করেছেন, কিন্তু তাহিথ চং ছাড়া সবার জন্ম সেখানে। চং নেদারল্যান্ডসের অনূর্ধ্ব ২১ দলের হয়েও খেলেছেন। এই প্রবণতা বিশ্বকাপ প্রতিয়োগিতার জন্য আসলে কোনও কারণ নেই।

বিশ্বকাপ দলে সদস্যদের অনেকে বিদেশী পরিবারের তার বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাদের দলের সবাই কঙ্গোতে জন্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু গতবারের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোতে ১৯ জন, বসনিয়াতে ১৭ জন এবং হাইতিতে ১৬ জন খেলোয়াড় অন্য দেশে জন্ম গ্রহণ করেছেন। এগুলো বিশ্বকাপে প্রবণতা ঘটনা দেখায়।

এই প্রবণতা বিশ্বকাপ খেলোয়াড়দের জন্ম এবং পরিবারের তার সংখ্যার সাথে সম্পর্কিত। আফ্রিকার দেশগুলো থেকে এই ঘটনা শুরু হয়েছে যে বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের জন্ম এবং দলের সদস্যদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন হাইতিতে আছে একটি খেলোয়াড় যে বাবা জন্ম স্থান হতে এগুলো দেখায়। নিকো পাজ এবং জুলিয়ানো সিমিওনে তাদের জন্ম স

Leave a Comment