বার্সেলোনা: গাউডির স্থাপত্য বিস্ময় এবং কাতালান মনোহারী আকর্ষণ
স্পেনের ঐতিহাসিক গৌরব ও কাতালোনিয়ার অবস্থান
ব র স ল ন – ৭১৮ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানদের কাছে কাতালোনিয়া জুড়ে ক্রীতদাস প্রান্ত হয়ে ওঠে। এই অঞ্চল প্রায় ৮০ থেকে ৯০ বছর মুসলিম শাসনের অধীন ছিল। পরবর্তীতে স্পেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত হয় আমেরিকা আবিষ্কারের মাধ্যমে। কিন্তু তার পরিচয় এখন আরও অন্য কোনো দিকে পরিবর্তিত হয়েছে।
কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বাধীন অঞ্চল হিসাবে পরিচিত ছিল। পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ভিসিগোথরা আইবেরিয়ান উপদ্বীপে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এই কালে গথিক সাম্রাজ্য ইউরোপের মধ্যযুগীয় ইতিহাসের ভিত্তি স্থাপন করে। তারপর ঐতিহ্যবাহী একটি সংস্কৃতি কাতালোনিয়া থেকে বিস্তৃত হয়েছিল।
বার্সেলোনায় ভ্রমণের সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা ও অনন্য বন্দরনগরী
সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, লুসার্ন, বার্ন ও জেনেভা শহরগুলোতে আমরা একটি অভিযান করেছিলাম। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা থেকে আরও অন্য একটি গল্পে চলে আসে আমাদের পরবর্তী ভ্রমণের সংগে। গত ২৮ এপ্রিল জেনেভা থেকে ট্যাপ এয়ার পর্তুগাল বিমানযোগে লিসবনে ছয়-সাত ঘণ্টা অবস্থান করে আমরা বার্সেলোনায় পৌঁছালাম। রাত তখন প্রায় দুইটা হয়েছিল।
লিসবনে তালিকা ছিল আমাদের ভ্রমণের আরেকটি উদ্দেশ্য—ট্যাগাস নদীর মোহনায় অবস্থিত প্রাসা দো কোমেরসিওর পরিদর্শন। প্রায় ২৫০ বছর ধরে পর্তুগালের রাজাদের প্রধান বাসস্থান ছিল সেই নদীর কুটিরে। কিন্তু এই চত্বর কেন্দ্র হতে বার্সেলোনার দিকে বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি দিয়ে যাওয়া হয়। এয়ারপোর্ট শাটলের সাথে শহর কেন্দ্রে পৌঁছে গেলাম আগে থেকে বুক করা হোটেলে। এটি অ্যাভিনিউ দ্রাসানেস রোডে অবস্থিত। হোটেলটি লাস রামব্লাস, পোর্ট ভেল এবং দ্রাসানেস মেট্রো স্টেশনের কাছে অবস্থিত।
শেনজেন অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সুইজারল্যান্ড থেকে স্পেনে ভ্রমণে ইমিগ্রেশন বা পাসপোর্ট চেক করার প্রয়োজন ছিল না। এট
