বিসিবির আবারও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের সামনে
আরও একট প রশ নব দ ধ – সভাপতি যায় এবং সভাপতি আসে। একটি পরিচালনা পর্ষদ গিয়ে আসে নতুন পরিচালনা পর্ষদ। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে তর্ক অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ে সভাপতি, সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট সভাপতি ও সাবেক ক্রিকেটার সভাপতি—সবাই একই রকম বিতর্কে জড়িত। কেউ বিসিবিকে স্বচ্ছ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নির্বাচন সম্ভব করতে পারেন না।
পূর্বের নির্বাচনের মতো এই সামগ্রিক অভিযোগও স্থায়ী হয়ে আছে। ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল বা আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের কোনও বাধা না থাকলেও নৈতিকতার কোনও প্রশ্ন তো বিদ্যমান। এমন কমিটির আশার গুড়ে বালি পড়েছে বলে আরও সন্দেহ জাগছে।
নির্বাচন প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা নেই। কারণ, নির্বাচন তো পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।
কিন্তু গত নির্বাচনে এই ধরনের কথা শুনা গেছিল সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীদের মুখে। তাঁদের সেই প্রক্রিয়া আগের বোর্ডের হাতে ছিল।
আসন্ন নির্বাচনে একটি বিশেষ বিশেষণ ভূষিত হয়েছে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটিকে। যেটি পরে নতুন স্বচ্ছতার প্রতীতি তৈরি করতে চলেছে। তামিমের অন্তর্বর্তী বোর্ডের নাম ছিল ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’। অতীতে বর্তমান সরকারের বিশেষ সম্পর্ক ছিল নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে।
৭ জুনের নির্বাচনে সেই রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা তুললে বলা হয় যে, বিসিবিতে রাজনৈতিক পরিচয়ে আগেও বেশির ভাগ পরিচালক চলে আসেন। কিন্তু এবার তাঁদের বেশি অভাব ছিল না। কারণ এবার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্কিত প্রার্থীদের পরিচালক পদে আসা হয়েছে।
আইসিসির প্রতিনিধিদের কাছে বিসিবির নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। ক্যাটাগরি–১ থেকে গঠিত পরিচালকদের মধ্যে ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি পদগুলোর জন্য কাদের নির্বাচন করতে হবে এবং কাদের বাদ দিতে হবে তা নিয়ে ওপর মহলে চাপ আছে।
১৬ মে তফসিল ঘোষণার পর কয়েক দিনে নির্বাচন এখন ব্যালট বাক্সে ঢোকার কাছে পৌঁছেছে। সেই পথে নির্বাচন আগেও সামান্য বিতর্ক হয়েছে। প্রার্থী তালিকার দিকে তাকালে এমন কমিটি থেকে আসা সংস্থাগুলো দৃষ্টিতে কী হয়েছে তা নির্বাচনে অস্বাভাবিক ছিল।
বিসিবির এবারের নির্বাচন আগের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ক্লাবগুলো দ্বারা গঠিত ক্যাটাগরি–২ এর প্রার্থীদের সংখ্যা ১৮ থেকে কমে ১৬ হয়েছে। বাকি পদগুলো নিয়ে কাদের নির্বাচন করতে হবে এবং কাদের বাদ দিতে হবে—তা নিয়ে বিতর
