সামরিক দূষণ ও জলবায়ু অঙ্গীকারের সম্পর্ক
য দ ধ স মর ক দ – বিশ্বের শীর্ষ ৬০ সামরিক ব্যয়কারী দেশের বেশির ভাগ সামরিক খাতের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন তথ্য লুকিয়ে রেখেছে। বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনের দুই তৃতীয়াংশ চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র করে দেয়। গ্রামে থেকে বস্তিগুলোতে নারী ও শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে একটি কলস পানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে দক্ষিণ গোলার্ধে। এই অবস্থার কারণে যুদ্ধ ও সামরিক বাণিজ্য আরও বেশি পরিবেশদূষণ ঘটাচ্ছে বলে আলোচনা হচ্ছে।
জলবায়ু ন্যায়বিচারের ঝুঁকি
সামরিক খাতে কার্বন নির্গমনের গুরুত্ব বৈশ্বিক সম্মেলনে উঠে আসছে। দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে রুলা আসাদ নামে জনপ্রিয় সাংবাদিকের সঙ্গে বিশেষ আলোচনা হয়। তিনি বলেছিলেন, “যুদ্ধ এবং গণহত্যা বন্ধ না করে জলবায়ু ন্যায়বিচার সম্ভব হবে না। গাজায় শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে অন্যায়ভাবে। অস্ত্র তৈরি থেকে শুরু করে যুদ্ধের সমস্ত কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঝুঁকি বাড়াব না কমাব। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অধীনে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন কমানোর অঙ্গীকার করা হয়েছিল, কিন্তু বিশ্বনেতৃত্ব আস্বাদন করছে না। অন্যায়ভাবে সময় পেছনে ফেলছে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করছে।”
“যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ না করে জলবায়ু ন্যায়বিচার সম্ভব হবে না। গাজায় শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে অন্যায়ভাবে। অস্ত্র তৈরি থেকে শুরু করে যুদ্ধ চালানোর সমস্ত কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঝুঁকি বাড়াব না কমাব। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আমরা ঝুঁকি হ্রাসের অঙ্গীকার করেছিলাম, কিন্তু নিজেদের অঙ্গীকারগুলো বারবার ভুলে যাওয়া অন্যায়।”
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ক্লাইমেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট (২০২২) অনুযায়ী বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের দশমিক ৪ ভাগ হিসেবে পরিচিত হয়েছে। কিন্তু এত কম নির্গমন করেও উপকূলীয় গরিব মহিলাদের জরায়ু কেটে ফেলতে বাধ্য করছে তীব্র লবণাক্ততা। এই অবস্থার কারণ হতে পারে সামরিক খাতের নির্গমন গোপন রাখার ফলে। প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী প্রতিটি দেশকে অনুসরণ করতে হবে তাদের আন্তর্জা�
